যেসব ব্যাপারে উসতায আবুল আ’লার সমালোচনা করা হয়, তার মাঝে একটি হচ্ছে— তিনিই সর্বপ্রথম ‘হাকিমিয়্যাত’ চিন্তার কথা প্রচার করেছেন। তার কাছ থেকেই এই চিন্তা নকল করেছেন উসতায সাইয়িদ কুতুব। সমালোচকরা তাকফির ও তাকফিরি জামাতগুলোর সকল দায় চাপাতে চায় এই চিন্তার ওপর, যেমনটি আগেও এটি ছিল খারিজি ফিতনার কারণ; কেননা খারিজিরা বলেছিল— ‘আল্লাহ ছাড়া অন্য আর কারো বিধান দেওয়ার অধিকার নেই।’
এ কথা ঠিক যে, উসতায আবুল আ’লা হাকিমিয়্যাত চিন্তার ওপর অনেক বেশি জোর দিয়েছেন, এমনকি এটাকেই তার চিন্তার কেন্দ্র ধরা হয়। তার অন্য সকল চিন্তা ও মতামত এই হাকিমিয়্যাত চিন্তাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
আদতে, উৎসগত দিক থেকে হাকিমিয়্যাত একটি নিরেট বিশুদ্ধ ইসলামি চিন্তা। হাকিমিয়্যাতের এই ইস্যুতে উসুলুল ফিকাহর আলিমরা যুগ যুগ থেকেই কথা বলে গেছেন তাদের। তাই আমরা দেখি ইমাম আবু হামিদ গাজ্জালির মতো বিখ্যাত উসুলবিদ তার মশহুর কিতাব ‘আল মুসতাসফা মিন ইলমিল উসুল’-এর ভূমিকায় ‘হুকুম’ নিয়ে কথা বলেছেন। হুকুম হলো উসুলুল ফিকাহর প্রথম আলোচনার বিষয় (Tropic)। আর ‘হুকুম’ হলো—
هو عبارة عن خطاب الشرع
“শরিয়তের খিতাব বা সম্বোধন।”
শরিয়ত আসার আগে কোনো হুকুম নেই। হুকুমের সাথে জড়িত হলো— হাকিম, মাহকুম আলাইহি এবং মাহকুম ফিহি। হাকিম হচ্ছে শরিয়তপ্রণেতা (الشارع), মাহকুম আলাইহি হচ্ছে মুকাল্লাফ অর্থাৎ যার ওপর শরিয়তের বিধিবিধান মানার দায়িত্ব আপতিত এসেছে আর মাহকুম ফিহি হচ্ছে মুকাল্লাফের আমল বা কাজ।
ইমাম গাজ্জালি বলছেন—
“হুকুম সম্পর্কে আলোচনা করার পর এই কথা পরিষ্কার হয়ে গেছে, ‘لا حكم إلا الله’ অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া অন্য আর কারো বিধান দেওয়ার অধিকার নেই। রাসূলেরও বিধান দেওয়ার অধিকার নেই, কোনো মনিবেরও তার গোলামের ওপর বিধান দেওয়ার অধিকার নেই এবং কোনো মাখলুকেরই অপর কোনো মাখুলুকের ওপর বিধান দেওয়ার অধিকার নেই। হুকুম দেওয়ার একমাত্র অধিকার আল্লাহ তায়ালার, অন্য আর কারো না।”
আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জন্য হাকিমিয়্যাত সাব্যস্ত করা ইসলামি জীবনব্যবস্থার একটি স্বতঃসিদ্ধ বিষয়। হাকিমিয়্যাত অধিকারী একমাত্র আল্লাহই, অন্য আর কোনো মাখলুক না— এই কথা কুরআন বর্ণিত; বিশেষত সূরা আনয়াম বর্ণিত তাওহিদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। সূরা আনয়াম বলছে, তাওহিদের মৌলিক উপাদান তিনটি। যথা—
১. আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ওলি হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন—
“বলুন, আমি কি আসমানসমূহ ও জমিনের স্রষ্টা আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ওলিরূপে (অভিভাবকরূপে) গ্রহণ করব?” সূরা আনআম : ১৪
২. আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ‘হাকাম’ বা বিধানদাতা হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন—
“(বলুন,) তবে কি আমি আল্লাহ ছাড়া অন্য আর কাউকে ফয়সালাকারী হিসেবে তালাশ করব? অথচ তিনিই তোমাদের প্রতি বিস্তারিত কিতাব নাজিল করেছেন।” সূরা আনআম : ১১৪
৩. আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে রব হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন—
“বলুন, আমি কি আল্লাহকে ছেড়ে অন্যকে রব খুজব? অথচ তিনিই সবকিছুর রব।” সূরা আনআম : ১৬৪
যাইহোক হাকিমিয়্যাত মানে যদি হয়— তাশরি’ বা বিধান প্রণয়ন করার এমন চূড়ান্ত ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব যে, একমাত্র তিনিই আদেশ ও নিষেধ করার অধিকারী, একমাত্র তিনিই অনুমতি বা বাঁধা দেওয়ার অধিকারী, একমাত্র তিনিই হালাল বা হারাম করার অধিকারী এবং একমাত্র তিনিই ওয়াজিব বা আবশ্যক করে দেওয়ার অধিকারী; তাহলে এই হাকিমিয়্যাত নিসন্দেহে একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জন্যই। কেননা তিনি যা চান, তাই করেন। তিনি যা চান, তাই বিধান দেন। মাখলুকের ওপর তাকলিফ বা কোনো দায়িত্ব চাপানোর অধিকার একমাত্র তাঁরই আছে, অন্য আর কারো নেই আবার তিনি চাইলেই যেকোনো দায়িত্ব রহিত করে দিতে পারেন।
কিন্তু এই ‘হাকিমিয়্যাত’ মানে যদি হয়— সাধারণভাবে যেকোনো প্রকারের আইন প্রণয়ন করার ক্ষমতাই মানুষের অধিকার থেকে রহিত করা, মানুষের শর্তসাপেক্ষ হাকিমিয়্যাতকেও (বিধান প্রণয়ণ করার অধিকার) নাকোচ করা, যেমনটি করেছিল আগের যুগের খারিজিরা; তাহলে হাকিমিয়্যাতের এই চিন্তাকে আমরা প্রত্যাখ্যান করি। খারিজিরা মুসলমানদের মাঝে ঘটে যাওয়া বিরোধের ফয়সালা বা মীমাংসা করতে বিচারক নিয়োগ করাকেও নাকোচ করে বসে। তারা তখন বলা শুরু করে—
لا حكم إلا الله
‘আল্লাহ ছাড়া অন্য আর কারো বিধান দেওয়ার অধিকার নেই।’
হাকিমিয়্যাতের এই চিন্তাকে আমরা নাকোচ করি, যদিও মাওলানা এবং সাইয়িদ কুতুবের কিছু কিছু ইবারত (Text) থেকে মাঝে মাঝে হাকিমিয়্যাতের এই অর্থ বোঝা যায়।
হাবরুল উম্মাহ আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাযি. খারিজিদের চিন্তার খণ্ডন করেছেন। তিনি তাদের সাথে আল্লাহর কিতাবের মাধ্যমে বিতর্ক করেছেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কিতাবই বিধান দিয়েছে, স্বামী ও স্ত্রীর মাঝে বিবাদের আশঙ্কা হলে ফয়সালার জন্য সালিশ নিয়োগ করতে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন—
“আর তাদের উভয়ের মাঝে বিরোধ আশঙ্কা করলে তোমরা স্বামীর পরিবার থেকে একজন এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন সালিশ নিযুক্ত কর; তারা উভয়ে নিস্পত্তি চাইলে আল্লাহ তাদের মাঝে মীমাংসার অনুকূল অবস্থা সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবিশেষ অবহিত।” সূরা নিসা : ৩৫
মুহরিম ব্যক্তি যদি ইহরাম অবস্থায় শিকার করে ফেলে, তার ব্যাপারে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলছেন—
“যার মীমাংসা করবে তোমাদের মধ্য থেকে দু’জন ন্যায়বান লোক।” সূরা মায়িদা : ৯৫
তাই ন্যায়নিষ্ঠ পাঠকদের উচিত— উসতায আবুল আ’লার এক কথাকে আরেক কথার সাথে মিলিয়ে পাঠ করা। তাই পাঠকদের উচিত নয়, মাওলানার অন্য সকল কিতাব বাদ দিয়ে কেবল কোনো একটি কিতাব নিয়ে পড়ে থাকা কিংবা জীবনের কোনো এককালের লেখায় সীমিত থাকা। হয়ত মাওলানা কিছু কিছু লেখা লিখেছেন তার যুবক বয়সে— যৌবনের উদ্দীপনার সময়ে, ভারত বিভাগ ও মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আগে। তারপর যখন মাওলানা পরিণত হন, তার অভিজ্ঞতার ঝুলি সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে, তখন তিনি লিখেন— ‘ইসলামি রেনেসাঁ আন্দোলন’ (১৯৪০ ঈসায়ি)। মূলত ছোট্ট এই বইটি ‘আল ফুরকান’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হওয়া তার একটি প্রবন্ধের সম্প্রসারিত রূপ। মাওলানা এই প্রবন্ধটি লিখেন ইমাম ও মুজাদ্দিদ শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভির (ওফাত ১১৭৬ হিজরি) স্মরণে প্রকাশিত ম্যাগাজিনের একটি বিশেষ সংখ্যায়।
তাই পাঠকদের আমি অবহিত করতে চাই, উসতায আবুল আ’লা ও সাইয়িদ কুতুব হাকিমিয়্যাতকে একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জন্যই সাব্যস্ত করেছেন। ‘হাকিমিয়্যাত একমাত্র আল্লাহর জন্য’ এই কথার মানে এই নয় যে, আল্লাহ তায়ালা নিজে এমন আলিম-উলামা বা শাসকদের নিয়োগ দিবেন, যারা তাঁর নামে শাসনকার্য চালাবে; বরং এর মানে হচ্ছে ‘তাশরিয়ি হাকিমিয়্যাত’ বা আইন-কানুন বা বিধান দেওয়ার অধিকার একমাত্র আল্লাহর। আর রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস হচ্ছে উম্মাহ বা জাতি। উম্মাই বাছাই করে নিবে, কে তার শাসক হবে। উম্মাহই পর্যালোচনা করবে, পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজন হলে অপসারণ করবে তার শাসকদের।
তাই হাকিমিয়্যাত ও রাজনৈতিক ক্ষমতার মাঝে পার্থক্য করা খুবই করা জরুরি। দু্টোকে একসাথে গুলিয়ে ফেলাই বিভ্রান্তিকর।
তাই হাকিমিয়্যাতের মানে কোনোভাবেই Theocracy নয়। হাকিমিয়্যাতের আহ্বান মানে থিওক্রেসির দিকে আহ্বান করা নয়। এমনকি স্বয়ং মাওলানাও এই থিওক্রেসিকে নাকোচ করেছেন, সমালোচনা করেছেন।
মাওলানার ব্যাপারে বলতে গেলে, অনেকেই তার কথাবার্তার আংশিক গ্রহণ করে এমন কিছু বুঝেছে কিংবা এমন কিছু তাঁর ওপর চাপিয়েছে, যা তিনি বোঝাতে চান নি। তার কথাবার্তার অংশবিশেষের ওপর ভর করে অনেকেই এমন ফয়সালা বা ফলাফলে পৌঁছেছে, যা তিনি বলে যান নি কিংবা যা তার শত শত প্রবন্ধ, নিবন্ধ, বই ও বক্তৃতায় ছড়িয়ে থাকা সামগ্রিক চিন্তাধারা ও দাওয়াতি বোঝাপড়ার সাথে কোনোভাবেই মিল রাখে না। এই বিষয়টি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কালাম ও রাসূল সা. এর হাদিসের সাথেও ঘটেছে। যখনই কুরআন বা হাদিসের কোনো অংশকে তার প্রেক্ষাপট ও পূর্বাপর বক্তব্য থেকে পৃথক করে ফেলা হয়েছে, তার অন্যান্য অংশ থেকে আলাদা করে ফেলা হয়েছে, তখনই কুরআন ও হাদিসের ভুল বোঝাপড়ার সৃষ্টি হয়েছে। কেননা কুরআন ও হাদিসের এক অংশ আরেক অংশের পরিপূর্ণতা দান করে করে কিংবা ব্যাখ্যা হাজির করে অথবা শর্তযুক্ত করে নির্দিষ্ট করে দেয়। যদি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ও নবিজির কালামেই অংশবিশেষের ওপর নির্ভর করার কারণে ভুল বোঝাপড়ার সৃষ্টি হয়, তাহলে মানুষের কথাবার্তার ব্যাপারে কী আর বলার থাকে?
উসতায আবুল আ’লা পশ্চিমা ডেমোক্রেসির বৈশিষ্ট্য আলোচনা করার পর বলছেন—
“পূর্বোল্লিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহের ভিত্তিতে চিন্তা করলে প্রথম দৃষ্টিতেই বুঝতে পারা যাবে যে, এটা আর যাই হোক— গণতন্ত্র (Democracy) কিছুতেই নয়। কারণ যে ধরনের শাসনতন্ত্রে দেশের নাগরিকদের নিরংকুশ প্রভুত্বের অধিকার স্বীকৃত হয়, রাজনৈতিক পরিভাষায় তাকেই গণতন্ত্র বলে। সেখানে জনগণের মতেই আইন বিরচিত হয়, জনগণের মতেই আইনের রদ বদল হয়। তারা ইচ্ছামত আইন জারী করতে পারে, আবার বিধিবদ্ধ আইনকে তারাই বাতিল করতে পারে। কিন্তু ইসলামে— ইসলামী রাজনীতিতে এর বিন্দুমাত্র অবকাশ নেই। কাজেই উল্লেখিত অর্থে ইসলামী শাসন ব্যবস্থাকে ‘গণতন্ত্র’ বলা যেতে পারে না।
ইসলামী শাসন ব্যবস্থার অধিকতর সঠিক ও সুষ্ঠু নাম হতে পারে, ‘হুকুমাতে ইলাহীয়া’— আল্লাহর শাসন ব্যবস্থা। ইংরেজী পরিভাষায় এটাকে ‘থিওক্র্যাসী’ (Theocracy) বলা হয়ে থাকে; কিন্তু থিওক্র্যাসী বলতে ইউরোপবাসী যা বুঝে থাকে; ইসলামী থিওক্র্যাসী এটা হতে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র জিনিস। ইউরোপীয় থিওক্র্যাসীতে নির্দিষ্ট একদল ধর্মযাজক (Priest Class) আল্লাহর নামে নিজেদের মনগড়া আইন জারী করে থাকে এবং কার্যত নিজেদেরই প্রভুত্ব সাধারণ নাগরিকদের উপর স্থাপন করে। এই ধরনের শাসন ব্যবস্থাকে ‘ইসলামী হুকুমাত’ বলার পরিবর্তে ‘শয়তানী হুকুমাত’ বলাই অধিকতর যুক্তিগত। অন্য দিকে ইসলাম যে ‘থিওক্র্যাসী’ উপস্থাপিত করে, তার পরিচালন ভার বিশেষ কোন ধর্মীয় দলের উপর ন্যস্ত হয় না, তা দেশের সাধারণ মুসলমানদের হাতেই অর্পিত হয়ে থাকে। তবে জনসাধারণ এটাকে নিজেদের মজীমত না চালিয়ে চালায় আল্লাহর কিতাব ও রাসূলের সুন্নাহ অনুসারে। এর নামকরণের জন্য যদি আমাকে কোন নতুন পরিভাষা রচনার অনুমতি দেয়া হয়, তাহলে আমি এই ধরনের শাসন ব্যবস্থা ও পদ্ধতিকে (Theo Democracy) বা ‘আল্লাহর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র’ বলে অভিহিত করব। কারণ, এতে আল্লাহর উচ্চতর ও নিরংকুশ কর্তৃত্বের (Paramountcy) অধীন মুসলমানদেরকে সীমাবদ্ধ প্রভুত্বের অধিকার (Limited Popular Sovereignty) দান করা হয়েছে। এতে শাসন বিভাগ (Executive) মুসলিম জনসাধারণের ভোটেই নির্বাচিত হবে, মুসলমানই এটাকে পদচ্যুতও করতে পারবে, এ ছাড়া শাসন শৃংখলা স্থাপনের যাবতীয় ব্যাপার এবং যেসব বিষয় সম্পর্কে আল্লাহর শরীয়াত স্পষ্ট বিধান দেয়নি মুসলমানদের সম্মিলিত মতামত (ইসলামী পরিভাষায় যাকে বলা হয়— ইজমা) অনুসারেই সেসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। আল্লাহর আইনের ব্যাখ্যা, বাস্তব প্রয়োগ ও নীতি নির্ধারণও বিশেষ কোন শ্ৰেণী বা অংশ কিংবা গোত্রের একাধিকারভুক্ত নয়। নির্বিশেষে সাধারণ মুসলমানদের মধ্যে যারা ইজতেহাদী প্রতিভা সম্পন্ন তারা প্রত্যেকেই আল্লাহর কিতাবের ব্যাখ্যা দান প্রসংগে কথা বলার অধিকারী। এ দিক দিয়ে বিচার করলে বলতে হবে— এতে গণতন্ত্রের মর্যাদা পুরোপুরিই রক্ষিত হয়েছে।”