Image description

রাজধানীতে রামিসা হত্যার ঘটনার উত্তেজনা শেষ না হতেই এবার যশোরের শার্শায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আলম গাজী নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার সকালে ধর্ষণচেষ্টার এ ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (২২ মে) রাত ১টার দিকে শিশুটির বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে শার্শা থানা পুলিশ আলমকে গ্রেপ্তার করে। আলম শার্শার সরুপদাহ গ্রামের জহুর গাজীর ছেলে।

শিশুটির পরিবার জানান, কাঠি ভাজা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশুটিকে বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি টং ঘরে নিয়ে নির্যাতন ও ধর্ষণচেষ্টা চালায় আলম। পরে শিশুটির চিৎকারে লোকজন এলে অভিযুক্ত আলম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণচেষ্টার সত্যতা পায় এবং অভিযুক্ত আলম গাজীকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি শিশুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এর আগে গত সপ্তাহ পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে (৭) ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ১৯ মে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ।

তদন্তের পর পুলিশ জানায়, স্কুলে যাওয়ার সময় রামিসাকে ফুসলিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে অপরাধ ঢাকতে তাকে গলা কেটে হত্যা ও লাশ গুমের চেষ্টা চালায়।

এ ঘটনায় মূল ঘাতক সোহেল রানা ও তার সহযোগী স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোহেল আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ও দ্রুত বিচারের দাবিতে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।