নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জেরা মেঘনাঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে শঙ্কর রোজারিও (২৫) নামের একজন মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যা ৬টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তিনি ওই ক্যানটিনের কর্মচারী ছিলেন।
বুধবার (১৩ মে) দুপুরে ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় ১২ জন দগ্ধ হয়েছিলেন। তাঁরা হলেন বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তা নাজমুল আলম খান (৪০), সাইফুল ইসলাম (৩০), রামিজুল (৪৫), তুহিন শেখ (৩০), মনির হোসেন (৪৫), ওসমান গনি (৩০), সুপ্রভাত ঘোষ (৪২), বদরুল হায়দার (৫০) এবং ক্যানটিন কর্মচারী মো. আমির (২৫), কাওছার (৩০), শঙ্কর রোজারিও (২৫) ও আল আমিন (৪৫)।
শঙ্কর রোজারিওর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান বলেন, শঙ্করের শরীরের ৪৬ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। সঙ্গে শ্বাসনালি দগ্ধ হয়েছিল। এ ঘটনায় ছয়জনকে গতকাল ছুটি দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে নাজমুল ১৩ শতাংশ, সুপ্রভাত ঘোষ ১২ শতাংশ, আল আমিন ২২ শতাংশ, মো. আমির ৮০ শতাংশ ও কাওছার ৫৯ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে ভর্তি আছেন।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের সেফটি কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম জানান, ক্যান্টিনে দুপুরে খেতে গিয়েছিলেন তাঁরা। তখন কিচেনের ভেতরে বিস্ফোরণ হয়। এতে ক্যান্টিন বয়সহ ১২ জন দগ্ধ হন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। রান্না শেষে কেউ একজন গ্যাসের চুলা চালু করে রেখেছিলেন। এরপর ম্যাচ জ্বালাতেই বিস্ফোরণে আগুন ধরে যায়।
মৃত শঙ্করের ভাই দুলাল রোজারিও জানান, তাঁদের বাড়ি নাটোরের বড়াইগ্রামের চিটাগুড়ি দিয়ারপাড়া গ্রামে। বাবার নাম জোসেফ গোমেজ রোজারিও। শঙ্কর সোনারগাঁয়ে থাকতেন এবং ক্যানটিনে কাজ করতেন।