Image description

গাজীপুরের শ্রীপুরে বাকির টাকা চাওয়া ও বাকীতে মালামাল না দেওয়াকে কেন্দ্র করে দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হাতাহাতি ও কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে বলে এলাকাবাসি অভিযোগ করেছেন । এতে পাঁচ দোকান ব্যবসায়ী আহত হন।

মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শ্রীপুর উপজেলার মুলাইদ গ্রামের হাজী কাছম আলী ফকির সুপার মার্কেটের নিউ জামালপুর গ্লাস অ্যান্ড থাই অ্যালুমিনিয়াম ফ্যাব্রিকেটর নামের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন মার্কেটের মালিক হাজী কাছম আলী ফকিরের ছেলে কামাল ফকির, তার ভাগিনা সিয়াম, দোকানের ব্যবস্থাপক শাহিন এবং কর্মচারী শান্ত ও শ্যামল।

অভিযুক্তরা হলেন রানা ভান্ডারি (৪০) ও তার ছোট ভাই মামুন (৩০)। তারা শ্রীপুরের কেওয়া গ্রামের নুরু কসাইয়ের ছেলে।

দোকান মালিক ফয়সাল আহমেদ জানান, রানা ভান্ডারি বিভিন্ন সময় তার দোকান থেকে থাইসহ বিভিন্ন ধরনের মালামাল কিনতেন। আগে থেকেই তার কাছে কিছু টাকা পাওনা ছিল। গত ৯ মে শনিবার রানা ভান্ডারি ৭২ হাজার টাকার থাই মালামাল কিনতে আসেন। এ সময় তিনি ৩০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করেন। মঙ্গলবার বাকি ৪২ হাজার টাকা পরিশোধ করে মালামাল নেওয়ার কথা ছিল। মঙ্গলবার বিকেলে থাই গ্লাস নিতে এলে ৪২ হাজার টাকা চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে দোকানের কর্মচারী শ্যামলকে মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

পরে রাত ৮টার দিকে রানা ভান্ডারি ও তার ভাই মামুনের নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জন একত্রিত হয়ে দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ সময় তাদের বাধা দিতে গেলে মার্কেট মালিক কামাল ফকির, তার ভাগিনা সিয়াম, দোকানের ম্যানেজার শাহিন এবং শান্ত আহত হন। এ সময় দোকান মালিক ফয়সালকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। তবে গুলি ফয়সালকে না লেগে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।