সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিয়ের গুঞ্জন ঘিরেই প্রথম আলোচনায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী ও অভিনেতা হাসান জাহাঙ্গীর। পরে জানা যায়, সেটি ছিল তাদের অভিনীত একটি কাজের প্রচারণা।
ওয়েব সিরিজ হিসেবে শুটিং হলেও পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা হিসেবে মুক্তি পাচ্ছে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’।
সিনেমাটি আগামী ১৫ মে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।
ওমর সানী ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওর একটি অংশে মৌসুমীর অডিও শোনা যায়। সেখানে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ ছিল একটি নাটক, বড় হয়ে যাওয়ায় সেটি টেলিফিল্ম হিসেবে চালানোর কথা জানায়। সেটা কীভাবে সিনেমা হয়ে গেল, বুঝতে পারছি না। ঘটনায় হাসান জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ওমর সানী।
বিষয়টি নিয়ে হাসান জাহাঙ্গীর বলেন, মৌসুমীকে চাপ দিয়ে আমার বিরুদ্ধে বক্তব্য নিয়েছেন ওমর সানী। তিনি এই প্রোডাকশনের সঙ্গে জড়িত নন। তিনি এই সিনেমার বিষয়ে কিছু করতে পারেন না। মৌসুমী ম্যাডাম সিনেমা করেছেন, সরকার, সমিতিসহ সবগুলো পক্ষ অনুমোদন ও অনুমতি দিয়েছে। সবাই হলে গেলে দেখবে এটা সিনেমা না ওয়েব সিরিজ।
হাসান জাহাঙ্গীর আরও বলেন, তিনি প্রমাণ করুক এটা সিনেমা নয়? সব সমিতি আমাকে ফোন করেছিল, আমি তাদের বিস্তারিত জানিয়েছি। সানী ভাই সিনেমা রিলিজের আগে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আমার কাছে চাঁদা দাবি করেন। তিনি তার ব্যবস্থা নিক, আমারটা আমি নেবো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার সঙ্গে যোগাযোগ করবে।
হাসান জাহাঙ্গীর গণমাধ্যমকে আরও বলেন, সানী ভাইয়ের প্রতি আমার যে শ্রদ্ধা ছিল, তা তিনি নষ্ট করলেন। ৩ কোটি টাকা খরচ হয়েছে আমার। তার কারণে যদি কেউ সিনেমাটা না নেয়, আমি তার বিরুদ্ধে ৬ কোটি টাকা মানহানির মামলা করব। তিনি আমাকে হুমকিও দিচ্ছেন!
মৌসুমী প্রসঙ্গে হাসান জাহাঙ্গীর বলেন, মৌসুমী ম্যাডামের সম্মান ওয়ার্ল্ডওয়াইড, তিনিও আমাকে সম্মান করেন। পারস্পরিক এই সম্মানের কারণে আমরা এত কাজ করতে পেরেছি। এত স্ক্যান্ডাল ছড়ালো, তিনি কিন্তু আমাকে কিছুই বলেননি। তাকে দিয়ে আমি ওয়েব সিরিজও করলাম, তিনি তো কিছু বলেননি। আমাদের দেশের ছেলেরা বিদেশে গিয়ে বিপদে পড়ে, এসব নিয়ে চমৎকার একটা গল্পের সিনেমা করেছি আমরা।