আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিন আদালতে দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান তার আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন। দুদকের আবেদনে বলা হয়, আসামি আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে অসৎ উদ্দেশে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৫ কোটি ৩৭ লাখ ১ হাজার ১৯০টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জনপূর্বক দখলে রাখেন। ১৯টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৮ টাকার সন্দেজনক লেনদেন রয়েছে আসামির নামে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসাদুজ্জামান নূরের নামে শুরু থেকে সর্বশেষ পর্যন্ত আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করে পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন।
এর আগে গত বছরের ৩০ জুলাই ৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকার ‘অবৈধ সম্পদ অর্জন’ এবং ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকার বেশি ‘মানি লন্ডারিংয়ের’ অভিযোগে নূরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। পরে একই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর আসাদুজ্জামান নূরের নামে থাকা চারটি ফ্ল্যাট ও ১০ কাঠা জমি জব্দের আদেশ দেন আদালত। একইসঙ্গে অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয় তার ১৬টি ব্যাংক হিসাব।