পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) পদ্ধতিতে পদ্মা নদীতে ব্যারেজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে এসংক্রান্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ দশমিক ২৫ কোটি টাকা।
সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ মনোযোগ আকর্ষণীয় নোটিশের জবাবে এসব তথ্য জানান পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
জবাবে মন্ত্রী আরো বলেন, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটির মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯টি জেলার ১২০টি উপজেলা সরাসরিভাবে উপকৃত হবে। এর বাইরে আমরা যে সমীক্ষা করেছি, সরাসরি ১৯টি জেলার পর আরো ৫টি জেলা বাহ্যিকভাবে এর উপকার লাভ করবে। যে কারণে এই প্রকল্পকে আমরা একটা মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প বলছি।
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটিকে পদ্মা নদীর পানি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জীবন-জীবিকা কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ এবং মানুষের টিকে থাকার জন্য অন্যতম ভিত্তি উল্লেখ করে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, সেই ভিত্তির কেন্দ্রেই রয়েছে পদ্মা নদী। পদ্মা নদীতে ব্যারেজ নির্মাণের সম্ভাব্য সমীক্ষা ২০০৪ সালে শুরু হয়েছিল। এই সমীক্ষা শেষ হতে ২০১৩ সাল পর্যন্ত লাগে। সমীক্ষায় ব্যারেজ নির্মাণের জন্য সুপারিশ করা হয়।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ২৮ দশমিক ৮০ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে বলে জানান পানিসম্পদমন্ত্রী।