Image description

কুমিল্লায় হামের (মিজলস) পরীক্ষা করার কোনও ব্যবস্থা না থাকায় সন্দেহভাজন রোগীদের নমুনা ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। এতে পরীক্ষার ফল পেতে সময় লাগছে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা। এই সময়জুড়ে রোগীদের আলাদা (আইসোলেশন) করে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে তিনজন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৩০ জন হাম আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। এ ছাড়া গত ১৮ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

 

এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. শরিফুল ইসলাম পিয়াস বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হামের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মেজালস-রুবেলা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। নমুনা পাঠানোর প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর ফলাফল পাওয়া যায়।

তিনি আরও বলেন, রিপোর্ট আসা পর্যন্ত রোগীদের আইসোলেশনে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে পরীক্ষার ফল পজিটিভ হলে একইভাবে চিকিৎসা চালানো হয়, আর নেগেটিভ হলে রোগীকে সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়।

জেলায় হামের পরীক্ষা সুবিধা না থাকায় দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় পর্যায়ে পরীক্ষার ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।