Image description

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কতৃক সাজাপ্রাপ্ত ও পলাতক কারও পক্ষে ট্রাইব্যুনালে বিচারপ্রক্রিয়ায় কাউকে বা কোনো আইনজীবীকে নিয়োগ দেয়ার সুযোগ নেই। প্রসিকিউশন এমন কোনো চিঠিও শেখ হাসিনা বা তার নিয়োজিত কোনো সংস্থার কাছ থেকে পায়নি। এই চিঠি আদালত অবমাননার শামিল- বলে মন্তব্য করেছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

এর আগে, শেখ হাসিনার পক্ষে গত ৩০শে মার্চ (সোমবার) লন্ডনভিত্তিক  আইনি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (ল' ফার্ম) কিংসলি ন্যাপলি এলএলপি বাংলাদেশে স্থাপিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বরাবর ই-মেইলের মাধ্যমে এ চিঠি প্রেরণ করে বলে দাবি করা হয়। চিঠিতে তার বিরুদ্ধে পরিচালিত বিচার প্রক্রিয়া ও রায়কে অবৈধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে দাবি করা হয়েছে। তবে চিফ প্রসিকিউটর অফিস কিংবা ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের কেউই চিঠি প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করেননি।

 

চিঠির বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আপনাদের মাধ্যমেই আমরা জানতে পেরেছি। আপনাদের মাধ্যমে যে চিঠিটি পেয়েছি। এছাড়াও এটি লন্ডন ভিত্তিক কোনো ফার্ম যদি হয় তাহলে এ জাতীয় ভাষা ব্যবহার করার কথা নয়। এটার কোনো ওয়েবসাইটের অস্তিত্বও আমরা খুঁজে পাচ্ছি না। ট্রাইব্যুনালে যখন অনেক শক্তিশালী মানুষের বিচার চলছে, তখন নানা নামে আমাদের সংবাদমাধ্যমকে ও জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এগুলো ভিত্তিহীন বিষয়।


সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে ট্রাইব্যুনাল বরাবর লন্ডনের আইনি প্রতিষ্ঠান কিংসলি ন্যাপলির পাঠানো এই চিঠি ১০ পৃষ্ঠার।
চিঠিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে বিচার করে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে, যা ন্যায্য বিচার ও আইনি প্রক্রিয়ার মৌলিক আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। এতে তার আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ, অভিযোগ ও প্রমাণ সম্পর্কে যথাযথ অবহিতকরণ এবং নিজ পছন্দের আইনজীবী পাওয়ার অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে।