Image description

জুলহাস আলম

আনিস আলমগীর ভাইকে জামিনে মুক্তি দিয়ে একটা ভালো উদাহরণ তৈরি করা হয়েছে। সরকার ধন্যবাদ পেতে পারে এজন্য যে আইনের স্বাভাবিক গতিধারা অনুসরণ করেই তা করা হয়েছে। যেটা প্রশংসার।

এই ধারাবাহিকতাকে মাথায় রেখে যত দ্রুত সম্ভব অন্য সাংবাদিকদের জামিনে মুক্তি দেয়া হলে তা সত্যিই প্রশংসিত হবে। অন্যের অন্যায় বর্তমান সরকার নিজেদের ঘাড়ে নেবেনা বলেই বিশ্বাস করতে চাই। যদি আটককৃতদের বিরুদ্ধে কোন ভ্যালিড অভিযোগ থাকে সেটা তারা জামিনে মুক্ত হয়ে আদালতের মাধ্যমে মোকাবেলা করবেন, তাতে কোনও সমস্যা দেখছিনা। আগেও এই কথা উঠেছে। আজও সেই কথাই বলছি।

আইন ও প্রশাসন এর স্বাভাবিক গতি নষ্ট না করে কোনও প্রতিহিংসামূলক আচরণ না করলে একটা স্ট্যান্ডার্ড প্রতিষ্ঠা করা হবে। যদি হয় তবে সেই বেনিফিট সবার জন্যই প্রযোজ্য হবে, বর্তমানে এবং ভবিষ্যতে। তাই আশা করি সরকার ভালো উদাহরণ তৈরি করবে এমন আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে। দ্রুত সকল সাংবাদিকের মুক্তি দাবী করছি। কালক্ষেপণ রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে ভবিষ্যতে। যা সকলের জন্য মঙ্গল সেটাই আসল মঙ্গল।

 

আমাদের সব আছে, কিন্তু সমস্যা হলো স্ট্যান্ডার্ডের। আমরা স্ট্যান্ডার্ড সেট করতে পারিনা। রাজনীতি আছে, কিন্তু স্ট্যান্ডার্ডের অভাব, রাজনৈতিক দল আছে, কিন্তু সেটাতে স্ট্যান্ডার্ড এর সমস্যা, সাংবাদিকতা আছে, গণমাধ্যম আছে, কিন্তু আমরা কাঙ্খিত স্ট্যান্ডার্ড সেট করতে পারছিনা। আইনের কোন অভাব নাই, কিন্তু সেই আইন প্রয়োগে আমাদের স্ট্যান্ডার্ড প্রাকটিস নাই। নতুন রাজনীতিক আসছে, কিন্তু তাদের মান নিয়ে দুশ্চিন্তা ভর করে।

তবুও এগিয়ে যেতেই হবে। ভীষণ রকম একটা অস্বস্তি তৈরি করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে, সেটা দূর করতে হবে।

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে যাদের সরকারের সাথে ভালো সম্পর্ক আছে, শক্ত যোগাযোগ আছে তাদেরও উচিত এ বিষয়ে এখন উদ্যোগী হওয়া, সরকারকে সহযোগিতা করা যেন রাজনৈতিক সরকার ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারে আইনের মধ্যে থেকে।

অতীত থেকে শিক্ষা নেয়াই স্মার্ট মুভ। পেশার ইন্টেগ্রিটি নষ্ট না করেই তা করা সম্ভব। আশা করি আমাদের অগ্রজ নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে নজর দিবেন।

 

 

লেখক: সাংবাদিক