‘কয়েক বছর ধরেই ব্যবসায় মন্দা। আর গত বছরের তুলনায় এ বছর পরিস্থিতি তো আরও খারাপ,’ বলছিলেন মোহাম্মদ সারোয়ার। রাজধানীর হাতিরপুলের ইস্টার্ন প্লাজার তরুণিমা ফ্যাশনের মালিক তিনি। ব্যবসার কথা বলতে গিয়ে তার কণ্ঠে ঝরে পড়ল হতাশা। তার পোশাকের দোকানটি তৃতীয় তলায়।
ইস্টার্ন প্লাজার শুরুটা ১৯৯২ সালে। সাড়ে চারশ দোকান নিয়ে চালু হয় বিপণি বিতানটি। ‘শপিংয়ে মজা, ইস্টার্ন প্লাজা’— এমন বিজ্ঞাপন তখন দেখা যেত টেলিভিশনের পর্দায়।
শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, চলন্ত সিঁড়ি, ক্যাপসুল লিফটে আধুনিক এই বিপণি কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল কেনাকাটার আকর্ষণীয় গন্তব্য। কারণ তখনও বসুন্ধরা সিটি কিংবা যমুনা ফিউচার পার্কের মতো আধুনিক মার্কেট হয়নি ঢাকায়।
সময় বদলেছে। ঢাকায় হয়েছে অসংখ্য শপিং মল। মানুষও পেয়েছেন নিত্য দিনের কেনাকাটার বিকল্প জায়গা। ফলে ইস্টার্ন প্লাজা হারিয়েছে পুরোনো সে আবেদন।
সারোয়ার এই শপিং মলে ব্যবসা চালিয়ে আসছেন ১৬ বছর ধরে। তবে সম্প্রতি কয়েকবছর ধরে ক্রেতা যে হারে কমেছে তাতে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা যাবে কি না তা নিয়ে তিনি সন্দিহান।
হাতিরপুলের ইস্টার্ন প্লাজার কাছাকাছি সময়ে ঢাকায় জমজমাট বিপণি কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ছিল আলপনা প্লাজা, পলওয়েল সুপার মার্কেট, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি শপিং কমপ্লেক্স।
ক্রেতাশূন্য দোকান। ছবি: আগামীর সময়এর মধ্যে কাকরাইলের কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি শপিং কমপ্লেক্স গত মাসেই বন্ধ হয়ে গেছে। বাকিগুলো এখনো চালু আছে। কিন্তু ব্যবসায়ীক পরিবেশ অনুকূল নয়, দাবি দোকান মালিকদের। তাদের ভাষ্য, অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে লড়াই করছেন তারা।
কেন এসব বিপণি বিতানের ব্যবসায় মন্দা— এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল ব্যবসায়ীদের কাছে। তারা জানালেন বেশ কয়েকটি কারণ। এরমধ্যে বড় বিপণি বিতানকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে না পারার বিষয়টি এলো সবার আগে। অনলাইনে কেনাকাটার প্রসারও তাদের ব্যবসার পরিধি সীমিত করেছে। ক্রেতা না আসার পেছনে দেশের অর্থনীতি গতিশীল না থাকাও দায়ী, ধারণা তাদের।
তবে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের ধারণা ভিন্ন। তিনি আশা করছেন, এখন সব ধরনের ব্যবসায় মন্দা যাচ্ছে। জাতীয় অর্থনীতিতে গতি ফিরলে কয়েক মাসের মধ্যে চিত্র বদলে যাবে।
২৮ বছর পর বন্ধ কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি
চার তলার ওপরে সবুজ উদ্যান, চলন্ত সিঁড়ি, ক্যাপসুল লিফট, সিসিটিভি, শিশুদের খেলার পার্ক—এমন সব সুবিধা নিয়ে ১৯৯৮ সালে চালু হওয়া কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি শপিং কমপ্লেক্স বন্ধ হয়ে যায় গত ১ অক্টোবর।
এ শপিং মলে এক সময় ১৯৮টি দোকান ছিল। তবে কমতে কমতে বন্ধের আগ পর্যন্ত টিকে ছিল মাত্র ২৩ থেকে ২৫টি।
এই বিপণি বিতানের ব্যবসায়ীরা বলছিলেন, উড়ালসড়ক নির্মাণের প্রভাব, মহামারির সময়ে ব্যবসায় ধস, ক্রেতাদের আস্থার সংকট এবং বড় শপিং মলগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ায় ধীরে ধীরে ক্রেতা কমে যায়।
ক্রেতা কমে যাওয়ায় দোকান মালিকদের কাছ থেকে সার্ভিস চার্জ আদায়ও কঠিন হয়ে পড়ে। জমে যায় প্রায় ৫০ লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল। শেষ পর্যন্ত বিপণি বিতানটি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন সংশ্লিষ্ট মালিকেরা।
ইস্টার্ন প্লাজা ধুঁকছে
হাতিরপুলের ইস্টার্ন প্লাজায় গত বুধবার সন্ধ্যায় গিয়ে তেমন একটা ক্রেতা দেখা যায়নি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই দৃশ্য প্রতিদিনের।
ইস্টার্ন প্লাজার প্রথম তলায় কসমেটিকস, ক্রোকারিজ, হস্তশিল্প, সেলুন, বিউটি পার্লার ও শিশুদের খেলনার দোকান। দ্বিতীয় তলায় শাড়ি, থান কাপড় ও টেইলার্সের দোকান। তৃতীয় তলায় তৈরি পোশাক ও শিশুপণ্য এবং চতুর্থ তলায় জুয়েলারি, জুতা ও চামড়াজাত পণ্যের দোকান রয়েছে। পঞ্চম তলায় বিক্রি হচ্ছে মোবাইল ফোন, ইলেকট্রনিকস, ঘড়ি ও চশমাসহ বিভিন্ন পণ্য।
সেদিন অধিকাংশ দোকানেই ক্রেতা ছিল না বললেই চলে। বিক্রেতারা সময় কাটাচ্ছিলেন কেউ গল্প করে, কেউ ঘাঁটছিলেন মোবাইল ফোন। দোতলা ও তিনতলার কয়েকটি দোকানের শাটারও নামানো দেখা যায়।
কয়েকজন দোকান মালিক জানালেন, প্রতিবছরই তাদের বিক্রি কমছে। অনলাইননির্ভর কেনাকাটা বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতারা আগের মতো মার্কেটে আসছেন না। শপিং মলগুলোর পণ্য ফুটপাতে বিক্রি হওয়ায় সেদিকে ঝুঁকেছে অনেক ক্রেতা। আবার মানুষের কেনার সামর্থ্যও গেছে কমে।
তরুণিমা ফ্যাশনের মালিক সারোয়ার বললেন, ‘আগে কোরবানির ঈদের পর দুই মাস বিক্রি কম থাকত। এখন সারাবছরই একই অবস্থা।’
ইস্টার্ন প্লাজার এ দৃশ্য প্রতিদিনের। ছবি: আগামীর সময়কিছুদিন আগে দুর্গাপূজা গেলেও প্রত্যাশামতো ব্যবসা হয়নি বলে জানালেন তিনি।
এ শপিং মলে ক্রেতা কমে যাওয়ায় অনেকেই ভাবছেন ভিন্ন জায়গায় যাওয়ার। সারোয়ার জানালেন, ‘লস দিয়ে তো ভাই এখানে কেউ ব্যবসা চালাবে না, তাই না?’
এদিকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা থেকে পোশাক ব্যবসায়ীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন। তারা ধারণা করছেন, তাদের তুলে দিয়ে সেখানে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপসহ ইলেকট্রিক পণ্যের দোকান করা হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দ্বিতীয় তলার একজন ব্যবসায়ী আগামীর সময়কে বলেছেন, ইস্টার্ন প্লাজা চালুর পর এর পাশেই মোতালেব প্লাজা গড়ে ওঠে। সেখানে মোবাইল, ল্যাপটপ কেনা ও সার্ভিসিংয়ের জন্য ক্রেতাদের ভিড় বেশি। সেই ব্যবসার ধরন অনুসরণ করে ইস্টার্ন প্লাজার দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার দোকানগুলো সরিয়ে মোবাইল ও প্রযুক্তিপণ্যের বাজার গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
‘আমাদের দোকানের ভাড়া মাসে ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়া অগ্রিম টাকাও দিতে হয়েছে। অথচ শুনেছি, দ্বিতীয় তলায় কিছু মোবাইল ফোনের দোকানকে অগ্রিম ছাড়াই জায়গা দেওয়ার প্রস্তাব করা হচ্ছে।’
এ ব্যবসায়ীর সঙ্গে যখন কথা হচ্ছিল তখন দোকানে আসেন ইমতিয়াজ আহমেদ নামে আরেক ব্যবসায়ী। আলাপে যোগ দিলেন তিনিও। এসময় তিনি তার শঙ্কার কথা জানালেন। বললেন, এভাবে সরিয়ে দিলে বিপদে পড়ে যাবেন সবাই।
‘হঠাৎ করে সরিয়ে দিলে ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। নতুন জায়গা খুঁজে ব্যবসা শুরু করতেও সময় লাগবে। অনেক পাইকারি বিক্রেতার কাছে আমাদের দেনা রয়েছে, সেগুলোও পরিশোধ করতে হবে।’
‘এতে আমাদের বিনিয়োগ ঝুঁকির মুখে পড়বে’, উৎকণ্ঠা নিয়েই বলছিলেন ইমতিয়াজ।
এছাড়া তাদের তুলে দিয়ে যদি সবখানেই প্রযুক্তিপণ্যের দোকান বসানো হয় তাহলে ক্রেতারা বঞ্চিত হবেন, মত এই ব্যবসায়ীর। বললেন, ‘এক ছাদের নিচে বিভিন্ন ধরনের পণ্য কেনার যে সুবিধা ক্রেতারা এত দিন পেয়ে আসছেন, সেটিও নষ্ট হবে।’
ইস্টার্ন প্লাসেও ক্রেতার দেখা নেই
শান্তিনগরের ইস্টার্ন প্লাস শপিং মলেও ক্রেতার উপস্থিতি তেমন দেখা যায়নি। বিপণি বিতানটির নিচতলার কসমেটিকস, হস্তশিল্প ও খেলনার দোকানগুলোতে কিছু ক্রেতা থাকলেও অন্য তলাগুলোতে তেমন ভিড় নেই। কোনো কোনো পোশাকের দোকানে দু-একজন ক্রেতার দেখা মিললেও অধিকাংশ দোকান ছিল প্রায় ক্রেতাশূন্য।
সাফিন ফ্যাশনের ব্যবস্থাপক মো. জয়নাল বলেন, পূজার পর থেকে ক্রেতা নেই বললেই চলে। সামনে শীতের পোশাক উঠলে বিক্রি কিছুটা বাড়তে পারে।
একজন ক্রেতা পণ্য দেখছেন। ছবি: আগামীর সময়ক্রেতা কম থাকার কারণ জানতে চা্ইলে তিনি বলেন, অনলাইন বিক্রির প্রসারের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই শপিং মলগুলোতে ক্রেতা কমছে। যানজট ঠেলে অনেকে আর মার্কেটে আসতে চান না।
অনলাইনে কেনাকাটায় প্রতারণার ঝুঁকির বিষয়টিও সামনে এনে জয়নালের মত, এক্ষেত্রে সরকারের কিছু শর্ত থাকা উচিত। অনলাইন বিক্রেতাদের নির্দিষ্ট আউটলেট বা দোকান থাকা বাধ্যতামূলক করা হলে প্রতারিত ক্রেতারা প্রয়োজনে সেখানে গিয়ে অভিযোগ জানাতে পারবেন।
আলপনা প্লাজায়ও কমেছে ক্রেতা
নিউ এলিফ্যান্ট রোডের আলপনা প্লাজা। এক সময় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা এখানে কেনাকাটা করতে আসতেন। তা এখন অতীত বলে হা-পিত্যেস করছেন এই মার্কেটের ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, নিচতলার স্যুট-কোটের দোকানগুলোতে কিছু ক্রেতা থাকলেও অন্য তলাগুলোতে খুবই কম।
ব্যবসায়ীরা জানান, আগে এখানে কাপড়, জুতা ও বিভিন্ন ধরনের পণ্যের দোকান বেশি ছিল। ব্যবসায় মন্দা দেখা দেওয়ায় অনেক দোকানের ধরন পরিবর্তন করে ইলেকট্রনিকস ও বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যের ব্যবসা শুরু হয়েছে।
ক্রেতার অপেক্ষা ব্যবসায়ীরা। ছবি: আগামীর সময়ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং পাশেই মাল্টিপ্ল্যানের মতো আধুনিক বিপণিবিতান গড়ে ওঠাকেও ব্যবসা কমার কারণ হিসেবে দেখছেন আলপনা প্লাজার দোকান মালিকরা।
মিথিলা ফ্যাশনের মালিক মো. সোহাগ বলেন, ক্রেতারা কোনো একটি মার্কেটের প্রতি আস্থা তৈরি হলে সেখান থেকেই কেনাকাটা করতে চান। আশপাশে ভালো ও আকর্ষণীয় বিপণিবিতান থাকলে অন্য মার্কেটগুলোতে স্বাভাবিকভাবেই বেচাকেনা কমে যায়।
পলওয়েলে নেই আগের সেই বেচাকেনা
প্রথমে একতলা ভবনে ৩৩টি দোকান নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল নয়া পল্টনের পলওয়েল সুপার মার্কেটের। সত্তরের দশকে বিদেশ থেকে আমদানি করা ইলেকট্রনিকস ও প্রসাধনসামগ্রীর জন্য পরিচিত ছিল মার্কেটটি। পুরুষ ও শিশুদের বিদেশি পোশাক, জুতা, বেল্ট, কেডসসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি হতো এখানে।
১৯৮৮ সালে মার্কেটটি ছয়তলা ভবনে রূপ নেয়। দোকানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৬৫টিতে। নব্বইয়ের দশকে জমজমাট বেচাকেনা হতো এই বিপণিবিতানে। তবে সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সবই।
মার্কেটটির পোশাকের দোকানগুলোতে তেমন ক্রেতা দেখা যায়নি। কয়েকটি জুতার দোকানে কিছু ক্রেতা থাকলেও অধিকাংশ দোকানে তেমন বেচাকেনা দেখা যায়নি।
ব্যবসায়ীরা জানালেন, কয়েক বছর আগেও এখানে ভালো বিক্রি হতো। পরে পণ্য আমদানি সহজ হওয়ায় দেশজুড়ে আমদানিকারকের সংখ্যা বেড়েছে। পাশাপাশি আশপাশে নতুন নতুন বিপণিবিতান গড়ে ওঠায় পলওয়েল মার্কেটের ব্যবসায় ভাটা পড়েছে।
মোসাররফ ট্রেডার্সের ব্যবসায়ী আজম খান বললেন, নয়াপল্টন এখন রাজধানীর অনেকটা পেছনে পড়ে গেছে। গুলিস্তান স্টেডিয়াম মার্কেট চালু হওয়ার পর ইলেকট্রনিকসের ব্যবসাতেও ধস নেমেছে। আগে ঈদে যে পরিমাণ বিক্রি হতো, এখন তা হয় না। পাইকারি বিক্রি কিছুটা হলেও খুচরা বিক্রি অনেক কমে গেছে।
তবে কারো কারো কাছে এখনো পলওয়েল মার্কেটের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তাদেরই একজন মো. নাসিম (২৭)। কাকরাইল থেকে জুতা কিনতে এসেছিলেন তিনি।
ঢাকার পুরোনো শপিং মলের অনেক দোকানই এখন বন্ধ। ছবি: আগামীর সময়নাসিম বললেন, প্রায় সাত বছর ধরে তিনি এখান থেকে জুতা কেনেন। জায়গাটি তার কাছে বিশ্বাসযোগ্য। আগে এখান থেকে পোশাকও কিনতেন। এখন পোশাক কেনার জন্য বন্ধুদের সঙ্গে বেশি যান যমুনা ফিউচার পার্কে।
পুরোনো শপিং মলগুলোতে বিক্রি কমে যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন আগামীর সময়কে বলেন, ‘ব্যবসা সব সময় এক রকম যায় না। ভালো-মন্দ পরিস্থিতি থাকবেই। বর্তমানে অধিকাংশ শপিং মলের ব্যবসায়িক পরিস্থিতি খারাপ যাচ্ছে। তবে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।’
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারের সিদ্ধান্তও ব্যবসায় প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন হেলাল উদ্দিন। তাই সন্ধ্যার পর দোকান খোলা রাখার সময় বাড়ানোর পক্ষপাতি তিনি।
হেলাল উদ্দিন বলেন, শপিং মলগুলোর বিক্রির মূল সময় সন্ধ্যা। কিন্তু রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়ায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এ কারণে দোকান খোলা রাখার সময় আরও এক ঘণ্টা বাড়িয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত করার প্রস্তাব দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সরকারকে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।