বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহনাবাদি বলেছেন, ওআইসির সদস্য ও মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আগ্রাসী শক্তির সরাসরি নিন্দা ও প্রতিবাদ করবে, এটাই প্রত্যাশা করি।
বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে গুলশানের ইরান দূতাবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের নাম না নিয়ে ঢাকার বিবৃতি নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ৮০০ মানুষ শাহাদাত বরণ করেছে। সর্বোচ্চ নেতা খামেনি শেষ পর্যন্ত মানুষের পাশে ছিলেন, তিনি পালিয়ে যাননি। ইরান দীর্ঘমেয়াদে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে। তবে চীনের সঙ্গে কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তি না থাকায় তারা সরাসরি পাশে দাঁড়াতে পারছে না।’
এ সময় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
জলিল রহিমি জাহনাবাদি বলেন, ‘ইরান সর্বশক্তি দিয়ে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাবে, যতক্ষণ না আমেরিকা শান্তির পথে আসে।’
প্রতিবেশী দেশে আমেরিকানরা যেখানেই থাকুক, আমরা তাদের টার্গেটে পরিণত করব বলেও হুঁশিয়ারি দেন ইরানের রাষ্ট্রদূত।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, তার কন্যা, জামাতা ও নাতিও প্রাণ হারিয়েছেন।
পরে রোববার (১ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে প্রতিক্রিয়া জানায়। ওই বিবৃতিতে সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সাতটি দেশের নাম উল্লেখ করা হলেও সে তালিকায় ইরানের নাম উল্লেখ করা হয়নি।