দাবি করছিল এবং সেখানে একটা গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ৯২ শতাংশ গণভোটের পক্ষে ছিল। যদিও পরে ইরাক সরকার সেই ফলাফল সম্পূর্ণ বাতিল করে দেয়।
নর্থ মেসিডোনিয়া : এছাড়াও নর্থ মেসিডোনিয়া নাম পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে দেশটিতে গণভোটের আয়োজন করা হয়েছিল ২০১৮ সালে। ভোটের ফলাফল ৯১ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে আসলেও সেই ফলাফল অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। কারণ হিসেবে বলা হয়, ভোটে ন্যূনতম ভোটারের উপস্থিতি না থাকা। তারপরও পার্লামেন্টে আইন পাস হয় এবং দেশের নাম বদলিয়ে উত্তর মেসিডোনিয়া রাখা হয়।
কলম্বিয়া : ২০১৬ সালের কলম্বিয়ার ঐতিহাসিক গণভোটে ভোটাররা সরকার এবং ফার্ক বিদ্রোহীদের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তিটি অল্প ব্যবধানে (৫০.২% ‘না’ বনাম ৪৯.৮% ‘হ্যাঁ’) প্রত্যাখ্যান করেছিল, যা পুরো বিশ্বকে হতবাক করেছিল। ৫২ বছরের পুরোনো সশস্ত্র সংঘর্ষ অবসানের এই চুক্তিটি সাবেক প্রেসিডেন্ট আলভারো উরিবের বিরোধিতার মুখে পড়ে, যিনি এটিকে বিদ্রোহীদের প্রতি বেশি নমনীয় বলে মনে করেছিলেন। অল্প ব্যবধানে ‘না’ ভোট জিতলেও পরে সংসদের মাধ্যমে সেই চুক্তি পাস করানো হয়।
হাঙ্গেরি : ২০১৬ সালের ২ অক্টোবর হাঙ্গেরিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাধ্যতামূলক শরণার্থী পুনর্বাসন কোটার বিরুদ্ধে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওর্বান এবং তার সরকার এই ব্যবস্থার তীব্র বিরোধিতা করেছিল, কিন্তু কম ভোটার উপস্থিতির (৪৩%) কারণে গণভোটটি আইনত অকার্যকর হয়ে পড়ে, যদিও ৯৮% ভোটার কোটার বিপক্ষে ভোট দেন।
উল্লেখ্য, অনেক দেশে গণভোট কেবল পরামর্শমূলক হয়ে থাকে, যা সরকারের ওপর আইনত বাধ্যতামূলক নয় । তবে রাজনৈতিক চাপের কারণে সরকার সাধারণত এগুলো উপেক্ষা করতে পারে না।