Image description
 

যুক্তরাষ্ট্র যদি হামলা চালায় তবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানবে ইরান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ইরানের এক শীর্ষ কর্মকর্তা।

বুধবার ইসরায়েলি একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এ কার্যক্রমের সময়সীমা ও পরিধি এখনও স্পষ্ট নয়। আর নাম গোপন করার শর্তে ইরানি কর্মকর্তা বলেছেন, হামলার হুমকির মুখে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে তেহরান। মিত্ররা যাতে ওয়াশিংটনকে হামলা থেকে বিরত রাখে সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

ইরানের ওই শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে শুরু করে তুরস্ককে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানকে লক্ষ্যবস্তু বানায় তবে ওই দেশগুলোর মার্কিন ঘাঁটিও আক্রান্ত হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের সদরদপ্তর অবস্থিত। কাতারে আছে আল উদেইদ নামের বিমানঘাঁটি। গত বছর পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে উদেইদ ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছিল ইরান।

ইরানি সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান আলি লারিজানি কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আরব আমিরাত ও তুরস্কের সঙ্গে আলাপ করেছেন।

আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁর দেশে শান্তি বিরাজ করছে। ইরানিরা নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ থেকে রক্ষা করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

এদিকে ইসরায়েলের এক সরকারি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নিরাপত্তা পরিষদকে ইরানের শাসনব্যবস্থার সম্ভাব্য পতন ও যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের বিষয়ে ব্রিফ করা হয়। একইদিন সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ নেবে।

শীর্ষনিউজ