Image description

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে বন্দি। তার দুই ছেলে সম্প্রতি ব্রিটিশ গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। যেখানে দেশটির বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বেশকিছু বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন তারা।

এর মধ্যে বড় ছেলে সুলাইমান ঈসা খান বলেছেন, কারাগারের ভেতর ইমরান খানকে হত্যার চেষ্টা করছে পাকিস্তান সরকার।

ইংল্যান্ড পুরুষ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাইক অ্যাথারটনের সঞ্চালনায় স্কাই স্পোর্টসের ১৮ মিনিটের এক সাক্ষাৎকার এমন অভিযোগ তুলেছেন সুলাইমান। এ সময় তার ছোট ভাই কাসিম পাশেই বসা ছিলেন।

লর্ডসে রেকর্ড করা সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে সুলাইমান অভিযোগ করেন, ‘তারা কী করছে, তা খুবই স্পষ্ট। আসলে কারাগারের ভেতর তাকে সরাসরি হত্যার চেষ্টা করছে। তারা শুধু তাকে যতটা সম্ভব দীর্ঘ সময় সেখানে রাখতে চায়। তাদের আশা, এভাবে তাকে চুপ করিয়ে দেওয়া যাবে।’

রাজনৈতিক সমাবেশে ইমরান খান। ফাইল ছবি / রয়টার্সকেন তিনি ও তার ভাই বাবার কারাবন্দিত্ব নিয়ে সরব হয়েছেন— এমন প্রশ্নের জবাবে সুলাইমান বলেছেন, শুরুতে আমাদের পরিবার মনে করেছিল, বাবার কারাবাস খুব বেশি দিন স্থায়ী হবে না। কিন্তু বছর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বদলে যায়।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট চলার মধ্যেই প্যাভিলিয়নে বসে এ সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অ্যাথারটন।

কথা বলার সময় বাবার ওপর একাধিক হত্যাচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেছেন সুলাইমান। এর মধ্যে ২০২২ সালের হামলার কথা উল্লেখ করেন তিনি। ওই হামলায় ইমরান পায়ে গুলিবিদ্ধ হন।

তবে অভিযোগের এখানেই শেষ নয়। দুই ভাই আদিয়ালা কারাগারের ভেতরে তাদের বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতির কথাও বলেছেন। তাদের দাবি, প্রতিদিন ২৩ ঘণ্টার বেশি সময় ইমরানকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখা হচ্ছে।

ইমরানের দৃষ্টিশক্তি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন দুই ছেলে। সুলাইমানের দাবি, এক চোখের প্রায় ৮০ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন বাবা।

সুলাইমান দাবি করেন, কয়েক মাস ধরে বাবা এ সমস্যা নিয়ে অভিযোগ করে আসছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাননি তিনি।

ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাইক অ্যাথারটন। ফাইল ছবি / সংগৃহীতনিজেদের রাজনীতিতে আসা সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে দুই ভাই জোর দিয়ে বলেছেন, তাদের বাবার কিছু হলে তারা রাজনীতিতে আসতে পারেন।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ক্ষুব্ধ হয়ে সাক্ষাৎকারের প্রচার বন্ধ করার চেষ্টা করে। বোর্ড হুমকি দেয়, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলমান দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা মাঠে ফিরবে না।

এমন বাস্তবতায় স্কাই স্পোর্টস টেস্টের লাঞ্চ ব্রেকের সময় সম্প্রচার করার আগে এটি সাময়িকভাবে পিছিয়ে দেয়। যদিও ক্রিকেট সম্প্রচারে রাজনীতি মেশানোর অভিযোগে পিসিবি স্কাই স্পোর্টসের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে।

পরে লন্ডনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার সঙ্গেও কথা বলেছেন সুলাইমান ও কাসিম খান। তারা জানান, প্রায় ছয় মাস ধরে তাদের বাবার কণ্ঠ শুনতে পাননি।

তাদের সঙ্গে ইমরান খানের সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয় গত মার্চে ঈদুল ফিতরের সময়। ওই ফোনালাপ চলে ২০ মিনিট।

১৯৯২ ক্রিকেট বিশ্বকাপে ফাইনাল জেতার সময় অধিনায়ক ইমরান খানের উচ্ছ্বাস। ফাইল ছবি / রয়টার্স২৭ বছর বয়সী ছোট ছেলে কাসিম আল জাজিরাকে বলেছেন, ‘আমরা জানি না, কথা বলার জন্য কতটা সময় পাব। সাধারণত ২০ মিনিটের মতো সময় দেওয়া হয়। তিনি দ্রুত আমাদের জীবন নিয়ে জানতে চান এবং পরামর্শ দেন। কিন্তু আমরা যখন তার কথা জানতে চাই, তখন তিনি দ্রুত প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান। তিনি নিজের অবস্থা নিয়ে বেশি কথা বলতে চান না।’

কাসিম জানান, ইমরান তাকে বলেছিলেন, ‘তুমি জানো, যা হওয়ার তা-ই হচ্ছে।’

৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান ২০২২ সালে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর তার বিরুদ্ধে ঘুষ, রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য ফাঁস এবং রাষ্ট্রীয় উপহার বেআইনিভাবে বিক্রির অভিযোগসহ ১০০টির বেশি মামলা হয়েছে। তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তার একটি মামলা ছাড়া বাকি সব মামলায় দেওয়া সাজা স্থগিত বা বাতিল হয়েছে। এসব মামলার আপিল এখনো চলছে।

ইমরানের পরিবার ও তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) দাবি, এসব মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

সম্প্রতি তার দুই বোন উজমা ও নূরিনকে ইমরানের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়। তারা বলেছেন, কয়েক মাস পর এটাই ছিল তাদের প্রথম সাক্ষাৎ।

ইমরানের আইনজীবীরা গত ফেব্রুয়ারিতে জানিয়েছিলেন, তার ডান চোখের ৮৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়েছে।

ইমরানের মুক্তির দাবিতে আদিয়ালা কারাগারের সামনে কোরআন পড়ছেন তার বোন আলিমা খানম ও সমর্থকেরা। পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে, ৬ জানুয়ারি ২০২৬। ছবি : রয়টার্সএ বিষয়ে ২৯ বছর বয়সী সুলাইমান বলেছেন, ‘সম্প্রতি খালার সঙ্গে দেখা করার সময়ও তার চোখে পট্টি ছিল। ১০ মাস ধরে তাকে কোনো দর্শনার্থীর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তার দুই বোনের ওই সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ ছাড়া আদালতের অন্য কোনো নির্দেশই মানা হয়নি।’

তবে পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে পরিবারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মন্ত্রণালয় বলেছে, ইমরানকে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হয়নি বা চিকিৎসা পরীক্ষার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সরকার মানেনি— এমন দাবি সঠিক নয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিষয়কে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা উচিত নয়।’ সরকার কারও স্বাস্থ্য নিয়ে কখনো অসম্মানজনক আচরণ করেনি বলেও দাবি করা হয়।

গত ১৮ আগস্ট তিন বিচারপতির সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ ইমরানকে দুদিনের মধ্যে বেসরকারি শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দেন। তাকে প্রতি সপ্তাহে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা এবং সপ্তাহে দুবার ছেলেদের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সুযোগ দিতে বলা হয়। তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও চিকিৎসক বোনকেও চিকিৎসায় যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর আগে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একটি পর্যালোচনায় ইমরানের রক্তচাপ ওঠানামা ও উদ্বেগের কথা বলা হয়েছিল। পরিবারের সঙ্গে সীমিত যোগাযোগের কারণে এসব সমস্যা হচ্ছে বলে জানানো হয়।

কিন্তু ২০ আগস্ট তাকে বেসরকারি হাসপাতালে না নিয়ে সরকারি হাসপাতাল পিআইএমএসে নেওয়া হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত পরীক্ষা শেষে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর ইমরানের দল আদালত অবমাননার বিষয় সামনে এনে আবেদন করেছে।
ইমরান খানকে হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশের পর শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের বাইরে পাহারায় পুলিশ। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে, ২০ আগস্ট ২০২৬। ছবি : রয়টার্সসুলাইমান বলেছেন, ‘এই সরকারি চিকিৎসকদের মূলত কী বলতে হবে, তা বলে দেওয়া হয়। আমরা চাই স্বাধীনভাবে তার পরীক্ষা করা হোক। তাহলে আমরা প্রমাণ পাব। তারা কী লুকাচ্ছে?’

কাসিম বলেছেন, ‘বর্তমানে সরকারের হাতে পুরো ক্ষমতা। সুপ্রিম কোর্টের যেকোনো উদ্যোগও কার্যকর হচ্ছে না। আমরা যতটা সম্ভব বিষয়টি সামনে আনতে চাই।’

তবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ইমরানের অসুস্থতার খবরও অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, কারাগার বা চিকিৎসার নথিতে এসব তথ্যের সমর্থন নেই।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কারাবন্দি হওয়ার পর ইমরানের ৩০ বার চিকিৎসা পরীক্ষা হয়েছে। এর পাশাপাশি কারাগারের চিকিৎসক নিয়মিত তার পরীক্ষা করেন। সম্প্রতি চিকিৎসকরা বলেছেন, ইমরান ‘সচেতন, স্থিতিশীল এবং গুরুতর বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা কোনো শারীরিক অবনতির লক্ষণ নেই।’

ইমরানের মুক্তির দাবিতে জাতিসংঘ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের কয়েকজন রাজনীতিক এবং ২১ জন সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কও সমর্থন জানিয়েছেন।

কাসিম বলেছেন, ‘আমরা আশা করছি, যুক্তরাজ্য কিছু করতে পারবে। আমাদের বাবা এখানে দীর্ঘদিন ছিলেন। তিনি সবসময় ইংল্যান্ডের প্রশংসা করেছেন।’

ইমরানের সাবেক স্ত্রী জেমাইমা গোল্ডস্মিথও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের কাছে সাহায্য চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইমরান তিন বছর ধরে একাকী বন্দিত্বে আছেন। তার মতে, এটি এখন ‘মানবাধিকার সংকট’ হয়ে উঠেছে।

তিনি আরও বলেছেন, তাদের দুই ছেলে ব্রিটিশ নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও ইমরানের সঙ্গে দেখা করতে তাদের ভিসা দেওয়া হয়নি। পাকিস্তানে গেলে তাদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
গত বছরের সাধারণ নির্বাচনে ‘কারচুপি’ ও ‘কালো দিবসের’ প্রতিবাদে সমাবেশে ইমরান খানের প্রতিকৃতি হাতে পিটিআই সমর্থকেরা। পাকিস্তানের সোয়াবিতে, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। ছবি : রয়টার্স২০২২ সালের নভেম্বরে ইমরানকে হত্যার চেষ্টা হওয়ার পর তার ছেলেরা সর্বশেষ তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন।

কাসিম বলেছেন, ‘আমাদের কিছু পরিকল্পনা আছে। তবে ঠিক কী পরিকল্পনা, তা প্রকাশ করতে পারছি না। কারণ আমরা প্রকাশ্যে যা বলি, তা পাকিস্তানে খুব দ্রুত তাদের হাতে পৌঁছে যায়।’

সুলাইমান বলেছেন, ‘এখনই সবচেয়ে কঠিন সময়। পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ মনে হচ্ছে। তবে অন্তত এখন বিষয়টি নিয়ে আরও মনোযোগ তৈরি হয়েছে।’

তিনি জানিয়েছেন, ভালো বন্ধু ও শক্তিশালী পরিবারের কারণে তারা এই কঠিন সময় সামলাতে পারছেন।

তবে পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ইমরানকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা বা তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রাখার অভিযোগও অস্বীকার করেছে।

মন্ত্রণালয়ের দাবি, নথি অনুযায়ী ইমরানের সঙ্গে প্রায় ১৯৮টি সাক্ষাৎ হয়েছে। এসব সাক্ষাতে ৯০০-এর বেশি দর্শনার্থী অংশ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে তার বোন, পরিবারের সদস্য, আইনজীবী, চিকিৎসক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিরাও ছিলেন।

মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, কারাগারে ইমরানের জন্য মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে ঘুম, পরিচ্ছন্নতা ও ব্যায়ামের ব্যবস্থা রয়েছে।

তার জন্য আলাদাভাবে খাবারও তৈরি করা হয়। এসব খাবারের মধ্যে মাংস, মুরগি, ফল, দুধ, বাদাম, জুস ও বোতলজাত পানি রয়েছে।

তবে মন্ত্রণালয় বলেছে, কারাগারে থাকা কোনো বন্দিকে ভেতর থেকে সীমাহীন রাজনৈতিক যোগাযোগ বা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভে তার দল পিটিআইয়ের সমর্থকেরা। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে, ২৬ নভেম্বর ২০২৪। ছবি : রয়টার্সকাসিম বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতির জন্য তিনি সরকারকে দায়ী করেন।

তিনি প্রশ্ন করেছেন, ‘কাউকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা চিকিৎসা নিতে না দেওয়ার মধ্যে মানবিকতা কোথায়? তাকে বই পড়তে না দেওয়া, সন্তানদের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে না দেওয়া এবং প্রতিদিন ২৩ ঘণ্টা বিচ্ছিন্ন কক্ষে রাখা—এসবই তো হয়রানির কৌশল।’

তার ভাষ্য, ‘তারা যদি নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে, তাহলে তা প্রমাণ করুক। তাকে নিরপেক্ষ চিকিৎসক ও হাসপাতালে নিয়ে যাক এবং চিকিৎসার প্রতিবেদন প্রকাশ করুক। এতে আমাদের দুশ্চিন্তা কমবে। একই সঙ্গে পাকিস্তানের মানুষও জানতে পারবে, তাদের নির্বাচিত নেতা সুস্থ আছেন।’

তবু বাবার মানসিক শক্তির ওপর বিশ্বাস হারাননি কাসিম।

তিনি বলেছেন, ‘এমন পরিস্থিতিতেও কেউ যদি শক্ত থাকতে পারেন, তিনি আমার বাবা। যদিও এই পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন।’

ইমরান খান সবসময় তার ছেলেদের প্রচারের বাইরে রেখেছেন। তারাও কখনো আলোচনার কেন্দ্রে আসতে চাননি।

সূত্র : আল জাজিরা, স্কাই নিউজ, এনডিটিভি