ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে চলা যুব আন্দোলন শেষ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছেন-এমন ব্যক্তিদের শনাক্তে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নজরদারি চালানো হচ্ছে।
দিল্লি পুলিশ ইতোমধ্যে কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে নোটিশ পাঠিয়েছে। আন্দোলন-সংক্রান্ত বেশ কিছু ভিডিও ও মন্তব্য সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন কোনো আপত্তিকর পোস্ট শনাক্ত হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং আন্দোলনকারীদের অন্যান্য দাবি বাস্তবায়নের বিষয়ে সরকারের আশ্বাস পাওয়ার পর আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেয় সিজেপি। প্রায় এক মাস ধরে চলা এ আন্দোলন গত ২৫ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়।
সেদিন নয়াদিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এবং পারস্পরিক আস্থার পরিবেশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিজেপির দাবি, সরকার নিট পরীক্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা (এফআইআর) প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।
গত মে মাসে নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে তা সারা দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নেয়।
গত ২০ জুন অভিজিৎ দিপকের নেতৃত্বে সিজেপি দিল্লির যন্তর মন্তরে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে। পরবর্তীতে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক আন্দোলনে যোগ দিলে তা আরও গতি পায়।