Image description

ভারতে প্রশ্নফাঁস নিয়ে নরেন্দ্র মোদির কঠোর পদক্ষেপের নেয়ার ঘোষণো দেয়ার পর শুক্রবার দেশটির সরকারের সিদ্ধান্তের দিকে নজর ছিল সবার। তবে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি সরকারের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী। সাংবাদিকদের একের পর এক প্রশ্নের মুখেও তিনি এড়িয়ে যান বিষয়টি। উল্টো তি বলেন, ‘আজ কোনো প্রশ্নফাঁস হচ্ছে না।’

 

বিজ্ঞাপন

শুক্রবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রশ্নফাঁস বন্ধে কঠোর আইন করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। প্রস্তাবিত আইনে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

 

তবে প্রশ্নফাঁস রোধে নতুন কোনো আইন বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাব দেননি মন্ত্রী। প্রায় আধঘণ্টার সংবাদ সম্মেলনে তিনি রেল খাতের উন্নয়ন ও শিল্প অবকাঠামোসংক্রান্ত কয়েকটি সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরেন। কিন্তু সাম্প্রতিক পরীক্ষা ও নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিয়ে কোনো ঘোষণা দেননি।

 

এদিকে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি থেকে তারা সরে আসবে না। শুক্রবার সরকার ও সিজেপির মধ্যে এ বিষয়ে বৈঠক হয়। বৈঠকের পর দলটির নেতারা দাবি করেন, সরকার তাদের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এক দিনের সময় চেয়েছে। 

 

 

দেশে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা ও নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। এখন সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট সবাই।