Image description

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইরানের অর্থনীতিকে চাপের মুখে ফেলতে কাজ করছে। তার দাবি, ওয়াশিংটন ভুল গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এক অডিও বার্তায় গালিবাফ বলেন, প্রতিপক্ষ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়ে রাজনৈতিক সুবিধা নিতে চাইছে। কিন্তু ভুল তথ্যের ওপর নির্ভর করে নেওয়া সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত সবার জন্যই ক্ষতির কারণ হবে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ইরানের অর্থনীতি বড় ধরনের সংকোচনের মুখে পড়তে পারে। একই সঙ্গে দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশেষ করে খাদ্যপণ্যের মধ্যে রুটি, শস্য, তেল ও চর্বিজাতীয় দ্রব্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় চাপ সৃষ্টি করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক নীতিমালা ও চলমান উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ইরানের তেল রপ্তানি ও আমদানি কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ইরানের অর্থনীতি আরও চাপে পড়তে পারে।

গালিবাফ দাবি করেন, এটি সরাসরি যুদ্ধ নয়, বরং ইরানের ভেতরে অস্থিতিশীলতা তৈরি করার একটি কৌশল। তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিভাজনমূলক কর্মকাণ্ড শত্রুপক্ষের উদ্দেশ্য পূরণে সহায়তা করবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও স্বার্থ রক্ষায় ইরানের জনগণ সব ধরনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।

শীর্ষনিউজ