Image description
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্প

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন বাতিল চান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বারবার জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিল চেয়ে কথা বলছেন। যদিও এ সংক্রান্ত অনেক মামলা রয়েছে এবং আদালতের রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন অনেকে। তবে এবার এই বিষয়ে ভারত ও চীনকে দোষারোপ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেছেন, ভারত ও চীন হচ্ছে নরকের মতো। জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিল নিয়ে ট্রাম্পের বিরোধিতা করে অনেকগুলো মামলা হয়। ওয়াশিংটন ফেডারেল আদালত, ম্যাসাচুসেট্‌স আদালত এবং মেরিল্যান্ড আদালত মার্কিন সংবিধানের ১৪তম ধারা সংশোধনের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শুনানি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল। পরে মামলাটি যায় মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন বলেছে, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ওপর বিচার বিভাগের নিরবচ্ছিন্ন কর্তৃত্ব থাকতে পারে না। যদিও ট্রাম্প সরকারের নতুন নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করার ওপর স্থগিতাদেশও দিয়েছিল মার্কিন শীর্ষ আদালত।        

ট্রাম্প পোস্টে লিখেছেন, ‘এখানে (যুক্তরাষ্ট্র) একটি শিশু জন্মালে সঙ্গে সঙ্গে নাগরিকত্ব পেয়ে যায়। তারপরে তারা চীন ভারত বা পৃথিবীর অন্য কোনো ‘হেলহোল’ (নরককুণ্ড) থেকে পুরো পরিবারকে নিয়ে আসে। তার অভিযোগ, ভারতীয় এবং চীনারা মার্কিন পতাকাকে পদদলিত করে। তিনি লিখেছেন, ‘সব মাফিয়া পরিবার মিলে যা করেছে, তার চেয়েও বেশি ক্ষতি ওরা করেছে। ল্যাপটপ হাতে ওরা আসলে গুন্ডা। ওরা আমাদের সর্বস্ব লুটে নিয়েছে। আমাদের দেশেই আমাদের সঙ্গে দ্বিতীয় শ্রেণির মানুষের মতো ব্যবহার করে।’

যুক্তরাষ্ট্রের আইনে জন্মসূত্রের নাগরিকত্বকে বলা হয় ‘জুস সোলি’। এটি প্রকৃতপক্ষে একটি ল্যাটিন শব্দ। এর অর্থ হলো ‘মাটির অধিকার’। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে বলা হয়েছে, সেখানে জন্ম নেওয়া প্রতিটি শিশুকে স্বাভাবিকভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। শিশুটির মা-বাবা অন্য দেশের নাগরিক হলেও সে জন্মসূত্রে আমেরিকার নাগরিকত্ব পাবে। ১৮৬৮ সালে ১৪তম সংশোধনীতে এই জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের বিষয়টিকে আমেরিকার সংবিধানের অন্তর্ভুক্ত করা হ