Image description

দুই সপ্তাহ যুদ্ধবিরতি শেষের আগ মুহূর্তে ইরান যখন সংলাপে বসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, ঠিক তখনই মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিল যুক্তরাষ্ট্র। ইরানকে সহায়তাকারী ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ। নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে তেহরানকে অস্ত্র সংগ্রহে সহায়তা করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের ওয়েবসাইটে দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, ইরানি শাসকগোষ্ঠীর পক্ষে অস্ত্র বা অস্ত্রের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ বা পরিবহনে জড়িত থাকার অভিযোগে ইরান, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত ১৪ জন ব্যক্তি, সংস্থা এবং বিমানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।

যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ক্রমাগত হ্রাস করে চলেছে, তখন দেশটির শাসকগোষ্ঠী তাদের উৎপাদন ক্ষমতা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে বলে এতে অভিযোগ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে ইরান ক্রমবর্ধমানভাবে শাহেদ-সিরিজের একমুখী আক্রমণকারী ড্রোনে ওপর নির্ভর করছে। বৈশ্বিক নিরাপত্তার প্রতি ইরানের অব্যাহত হুমকির জবাবে এই নিষেধাজ্ঞাগুলো ‘ইকোনমিক ফিউরি’ উদ্যোগকে সমর্থন করে।

ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার থেকে চাঁদাবাজি এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে নির্বিচারে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার জন্য ইরানি শাসকগোষ্ঠীকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে ‘ইকোনমিক ফিউরি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ট্রেজারি বিভাগ অর্থের উৎস অনুসরণ করে যাবে এবং ইরানি শাসকগোষ্ঠীর বেপরোয়া আচরণ ও যারা একে সহায়তা করে, তাদের লক্ষ্যবস্তু বানাবে।