ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের দ্বিতীয় দফা আলোচনা এই বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ আলোচনার আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, গত ১৪ এপ্রিল শুরু হওয়া ইসরায়েল-লেবানন শান্তি আলোচনার বিষয়ে ওই মার্কিন কর্মকর্তা কথা বলেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল ও লেবাননের এই ফলপ্রসূ অংশগ্রহণকে স্বাগত জানায়। আমরা দুই দেশের সরকারের মধ্যে সরাসরি এবং সদিচ্ছামূলক আলোচনা অব্যাহত রাখতে সহায়তা দিয়ে যাব।
দক্ষিণ লেবাননে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সাথে ইসরায়েল বর্তমানে যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে। টানা ছয় সপ্তাহের সংঘাতের পর বর্তমানে সেখানে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি চলছে।
এই প্রেক্ষাপটে গত সপ্তাহে ১৯৯৩ সালের পর প্রথমবারের মতো দেশ দুটি কূটনৈতিক আলোচনায় বসে।
প্রথম দফার ওই বৈঠকে মধ্যস্থতা করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি এই আলোচনাকে হিজবুল্লাহর প্রভাব খর্ব করার একটি ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
আলোচনার আগে ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা হিজবুল্লাহসহ সকল রাষ্ট্র-বহির্ভূত সশস্ত্র গোষ্ঠীকে নিরস্ত্রীকরণ করতে চায়। অন্যদিকে, লেবানন স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং তাদের বর্তমান মানবিক সংকট মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে।
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। এমন পরিস্থিতিতে এই আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।