মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চলছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা। এর এক ঘণ্টার মধ্যেই ৭০ জনের একটি শক্তিশালী প্রতিনিধিদল নিয়ে তেহরান থেকে তিনটি বিমান রাওয়ালপিন্ডির নুর খান বিমানঘাঁটিতে পৌঁছেছে। তবে বিমানগুলো কেন পাকিস্তানে এসেছে বা কারা এসেছেন তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বিমানগুলো ‘পুয়া এয়ার’-এর মালিকানাধীন, যা ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কুদস ফোর্স ও অ্যারোস্পেস ফোর্সের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে পরিচিত।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এ বিমানগুলো যাত্রা শুরু করেছিল।
শনিবার সন্ধ্যায় ইরানি সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছিল, আলোচনা আরও বিস্তারিত পর্যায়ে প্রবেশ করায় ইরান থেকে কিছু বিশেষজ্ঞ দেশটিতে ভ্রমণ করতে পারেন।
এর আগে শুক্রবার দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, আলোচনার অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে আটক আমেরিকানদের মুক্তির অনুরোধ করার পরিকল্পনা করছে। ইসলামাবাদ আলোচনায় বন্দিদের মুক্তি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি-না, কিংবা আকস্মিক বিমান অবতরণের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক আছে কিনা জানা যায়নি।
সূত্র: আল জাজিরা।