Image description

ইসরাইল অভিমুখী মার্কিন সামরিক সরঞ্জামবাহী ফ্লাইটগুলোকে ফ্রান্স তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে বলে অভিযোগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।বিষয়টি প্রকাশ করে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তুলেছেন।

 

একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তার বর্ণিত একজন শীর্ষস্থানীয় ইরানি ব্যক্তিত্বকে নির্মূল করার বিষয়ে ফ্রান্স ‘খুবই অসহযোগিতা’ করেছে।

এর আগে রয়টার্স অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, গত সপ্তাহের শেষের দিকে এই অস্বীকৃতির ঘটনাটি ঘটে এবং ইরানে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ফ্রান্স এই প্রথম এমন পদক্ষেপ নিল।

 

 

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ফ্রান্সের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিটার ব্রায়ান হেগসেথ বিশ্বাস করেন যে, মার্কিনিরা ইরানের অভ্যন্তরে কারো সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সেই আলোচনাগুলো অত্যন্ত বাস্তব এবং বর্তমানেও সক্রিয়ভাবে চলমান। ট্রাম্পের শর্ত অনুযায়ী কোনো চুক্তিতে আসার জন্য তিনি ইরানকে আলোচনার টেবিলে বসাতে আগ্রহী, তবে তিনি এও বলেন যে, ‘আমরা বোমার মাধ্যমেই সমঝোতা করব।’

স্পষ্টতই মিত্রদের ওপর তিনি মোটেও সন্তুষ্ট নন। তিনি ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির হরমুজ প্রণালিতে যুক্ত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ন্যাটো মিত্ররা আসলে মার্কিনিদের সাহায্য করতে চাইছে না, অথচ তার মতে—আমেরিকা এই যুদ্ধ শুরু করেছে অন্য সব দেশের স্বাধীনতার জন্য।

তবে তিনি কোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাকেই নাকচ করে দেননি। এমনকি ইরানে সরাসরি সৈন্য পাঠানোর (বুটস অন দ্য গ্রাউন্ড) বিষয়টিও তিনি উড়িয়ে দেননি।

সূত্র: আল জাজিরা।