র্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া বলেন্দ্র শাহ শুক্রবার নেপালের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। এ সময় ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা ও কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) এ সংবাদ প্রকাশ করেছে রয়টার্স ও টিআরটি ওয়ার্ল্ড।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বলেন্দ্র শাহকে নেপালের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর জোর দিতে হবে। দক্ষিণ এশিয়ার এ দেশটিতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অনেক কম। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি কোনো স্থায়ী সরকার ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নেই।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে দুর্নীতিবিরোধী ‘জেন জি’ বিক্ষোভে ৭৬ জন নিহত হওয়ার পর দেশটিতে ৫ মার্চ প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তখন বলেন্দ্র শাহের দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) ২৭৫ সদস্যের সংসদে ১৮২টি আসন পায়। এর ফলে তার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ অবারিত হয়ে যায়।
৩৫ বছর বয়সি বলেন্দ্র শাহ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র। তিনি কয়েক দশকের মধ্যে দেশটির সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। ভারত ও চীনের মাঝে অবস্থিত এ দেশটিতে তিনি প্রথম মধেসি (ভারত সীমান্তবর্তী দক্ষিণাঞ্চলের সমভূমির অধিবাসী) হিসেবে সর্বোচ্চ ক্ষমতা পেয়েছেন।
আঁটসাঁট প্যান্ট, মানানসই জ্যাকেট ও কালো নেপালি কাপড়ের টুপি পরে রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এ সময় ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা ও কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।
নেপালে রাজনৈতিক বিশ্লেষক পুরঞ্জন আচার্য বলেন, নতুন সরকারের প্রথম পরীক্ষা হলো জনগণের কাছে স্বচ্ছ ও দ্রুত পরিসেবা পৌঁছে দেওয়া। নেপালি জনগণ দ্রুত দেশটিতে সুশাসনের নিশ্চয়তা চায়।