Image description

ঢাকায় পাকিস্তানের জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনে এক আনুষ্ঠানিক পতাকা উত্তোলন করা হয়। 

সোমবার (২৩ মার্চ) পাকিস্তানি সম্প্রদায়ের সদস্য, শিক্ষার্থী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে হাইকমিশনার ইমরান হায়দার পতাকা উত্তোলন করেন।

এ বিষয়ে এক বার্তায় বলা হয়, এই অনুষ্ঠানটি ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চের সেই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণ করে, যেদিন কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর নেতৃত্বে পাকিস্তান আন্দোলনের দূরদর্শী নেতারা মুসলমানদের জন্য একটি স্বাধীন মাতৃভূমির ভিত্তি স্থাপন করে পাকিস্তান প্রস্তাব পাস করেছিলেন।

অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি, প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরীফ এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দারের বার্তা পাঠ করে শোনানো হয়, যেখানে দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরা হয় এবং অগ্রগতি ও ঐক্যের প্রতি পাকিস্তানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। 

বার্তায় নেতৃবৃন্দ পুনরায় ব্যক্ত করেন যে, পাকিস্তান বিশ্ব শান্তির সমর্থক, তবে দক্ষিণ এশিয়ায় টেকসই শান্তির জন্য জম্মু ও কাশ্মীর বিবাদের ন্যায্য সমাধান জরুরি। 

তারা বলেন, আমরা ভারতীয় অবৈধভাবে দখলকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে (আইআইওজেকে) আমাদের ভাই ও বোনদের নৈতিক, রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক সমর্থন অব্যাহত রাখব। 

ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতিও সংহতি প্রকাশ করেন নেতৃবৃন্দ।

তারা ‘অপারেশন গজব-লিল-হক’ সন্ত্রাসবাদ এবং বিনা উসকানিতে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জাতীয় সংকল্পের প্রতীক বলে উল্লেখ করেন।

 

হাইকমিশনার বাংলাদেশে বসবাসরত পাকিস্তানি প্রবাসীদের অভিনন্দন জানান। পাকিস্তান সৃষ্টির জন্য প্রতিষ্ঠাতাদের আত্মত্যাগের প্রতি তিনি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি এই ঐতিহ্যকে স্মরণ করার এবং কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর স্বপ্ন অনুযায়ী একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ পাকিস্তান গড়ার জন্য সম্মিলিত সংকল্প নবায়নের ওপর জোর দেন।

 

দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলমানদের স্বাধীনতার জন্য মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর সংগ্রাম ও নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে একটি চিত্র প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়।