সুপার এইট পর্ব থেকেই বিশ্বকাপকে বিদায় বলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে দেশে ফেরা হচ্ছিল না সাই হোপ-শিমরন হেটমায়ারদের। চার্টাড বিমানের ব্যবস্থা করার কথা থাকলেও সেটার ব্যবস্থা করাও সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায় বাণিজ্যিক বিমানেই দেশে ফিরতে হচ্ছে তাদের।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্ব থেকে পহেলা মার্চ বিদায় নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপর থেকেই তারা কলকাতায় আটকে ছিল। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বিমান চলাচলে জটিলতা তৈরি হওয়ায় নির্ধারিত ভ্রমণ পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।
প্রাথমিকভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য একটি চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করার কথা ছিল। কিন্তু বারবার বিলম্ব হওয়ায় পরিস্থিতি “মানসিকভাবে কষ্টদায়ক’’ হয়ে ওঠে বলে জানিয়েছে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ এক বিবৃতিতে জানায়, বৈশ্বিক উত্তেজনা ও বিমান চলাচলের বিধিনিষেধের কারণে চার্টার ফ্লাইটের অনিশ্চয়তা বাড়তে থাকে। খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ বিবেচনায় অপেক্ষা না করে বাণিজ্যিক ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়।
আইসিসি জানিয়েছে, ভ্রমণ জটিলতার কারণে অতিরিক্ত লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার চারজন খেলোয়াড় ও পাঁচজন পরিবারের সদস্য দেশে ফিরেছেন। তাদের বাকি সদস্যরাও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রওনা হবেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের নয়জন সদস্য ইতোমধ্যে ভারত ছেড়েছেন। বাকি ১৬ জনেরও আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে ফ্লাইট রয়েছে।
এ ঘটনায় আইসিসির ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকজন ক্রিকেটার। অন্যদিকে ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে হেরে গত শনিবারই দেশে ফিরে যাওয়ায় আইসিসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠে। যদিও সেই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে আইসিসি।