পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার কুপার কনোলির আউট নিয়ে চলছে বিতর্ক। মোহাম্মদ নওয়াজের বলে স্টাম্পিংয়ের শিকার হন কনলি। ম্যাচে তাকে আউট ঘোষণা করা হলেও পরবর্তীতে রিপ্লে বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে—আইসিসির বর্তমান আইন অনুযায়ী সেই সিদ্ধান্ত ছিল ভুল।
২০৮ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া যখন ৬ উইকেটে ৮২ রানে বিপর্যস্ত, তখন ক্রিজে আসেন কনোলি।
ডাউন দ্য ট্র্যাকে এগিয়ে খেলতে গিয়ে তিনি বল পুরোপুরি মিস করেন। বলটি লেগ সাইডে ঘুরে গেলে উইকেটকিপার খাজা নাফে স্টাম্প ভেঙে দেন। মাঠের আম্পায়ার সঙ্গে সঙ্গে আউটের সিদ্ধান্ত দেন।
শেষ পর্যন্ত তারা ৯৬ রানে অলআউট হয়ে ১১১ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয়। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হার এটি।
তবে ম্যাচ শেষে শুরু হয় বিতর্ক।
আইসিসির আইনে কী বলা আছে
আইসিসির পুরুষদের টি-টোয়েন্টি প্লেয়িং কন্ডিশনের ধারা ২৯.২.১ অনুযায়ী, উইকেট ‘সঠিকভাবে ভাঙা’ বলে তখনই গণ্য হবে, যখন ফিল্ডার বা উইকেটকিপার যে হাত বা বাহু দিয়ে বেল সরাবেন বা স্টাম্প উপড়ে ফেলবেন, সেই হাতেই বল থাকবে।
আইনে বলা হয়েছে, ফিল্ডার যদি হাতে বা বাহু দিয়ে স্টাম্প ভাঙেন, তবে সেই হাত বা বাহুতেই বল থাকা বাধ্যতামূলক। অন্যথায় সেটিকে ন্যায্যভাবে উইকেট ভাঙা হিসেবে ধরা যাবে না।
এই ঘটনায় সেই শর্ত পূরণ হয়নি। ফলে আইসিসির আইন অনুযায়ী কুপার কনোলিকে আউট ঘোষণা করার কোনো ভিত্তি ছিল না।