Image description

গতকাল (২৪ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে Voice Bangla নামে একটি পেজ থেকে শ্রী লঙ্কার সাবেক ক্রিকেটার কুমার সাঙ্গাকারার নামে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়ে। ওই ফটোকার্ডে তাকে উদ্ধৃত করে লেখা হয়, “যারা এদেশ চায়নি তারাই বাংলাদেশ ক্রিকেট ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।” প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ফটোকার্ডসংবলিত পোস্টটি ২২৩ বার শেয়ার করা হয়েছে।

দেখুন এখানে। হিন্দি ভাষাতেও এই পোস্ট দেয়া হয়েছে।

পরবর্তীতে বাংলাদেশি অভিনেতা স্বাধীন খসরুকেও তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ফটোকার্ড পুনরায় পোস্ট করতে দেখা যায়, যা এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১২৪ বার শেয়ার হয়েছে।

এ ছাড়া আরেকটি ভিন্ন ফটোকার্ডে কুমার সাঙ্গাকারার নামে আরেকটি মন্তব্য ছড়াতে দেখা যায়, যেখানে বলা হয়, “ভারতের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ বড় ভুল করেছে। বিষয়টি এত বড় ছিল না যে এমন একটি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল। আমার মনে হয়, ভবিষ্যতে ভারত সম্ভবত বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো ম্যাচ খেলবে না, এমনকি তাদের সমর্থনও করবে না।”

প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারিতে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিরাপত্তাহীনতার কারণ দেখিয়ে ভারতে অংশগ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রী লঙ্কায় আয়োজনের অনুরোধ জানানো হয়। তবে আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ে ভোটাভুটির মাধ্যমে বাংলাদেশের এ প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায়। পরবর্তীতে বিসিবি ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অটল থাকলে আইসিসি বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করে।

তবে দ্য ডিসেন্টের যাচাইয়ে কুমার সাঙ্গাকারার এমন কোনো মন্তব্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। গুগলে “Kumar Sangakkara” লিখে খুঁজে ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও দেশীয় কোনো গণমাধ্যমে এ ধরনের মন্তব্যের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

একইভাবে কুমার সাঙ্গাকারার নামে পরিচালিত ভেরিফায়েড ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামএক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টেও এ বিষয়ে কোনো পোস্ট বা বক্তব্য নেই।

এ বিষয়ে জানতে কুমার সাঙ্গাকারার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলে তিনি এমন কোন মন্তব্য না করার ব্যাপারে নিশ্চিত করে দ্য ডিসেন্টকে বলেন, “আমার অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের চ্যানেল বা কোনো বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়নি—আমার নামে লেখা এমন যেকোনো উদ্ধৃতি ভুয়া।”