Image description

ক্রিকেটারদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে তোপের মুখে পড়েন বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। এরপর তার পদত্যাগ দাবি করে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্রিকেট বয়কটের ঘোষণা দেয় ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। এর পর অর্থ কমিটির দায়িত্ব থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি দেয় বিসিবি।

বর্তমানে মেহেদি হাসান মিরাজ বাংলাদেশের ওয়ানডে (ODI) ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বিসিবির সভাপতি ও ভৈরবের স্থানীয় এমপি নাজমুল হাসান পাপনের নির্বাচনী জনসভায় জাতীয় ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে নৌকা মার্কায় নির্বাচনী প্রচার- প্রচারণা চালিয়ে ছিলেন। 

মিরাজ তার বক্তৃতায় বলেছিলেন, ভৈরবে আমার স্যারের এত জনপ্রিয়তা আমি কখনো ভাবিনি।  তিনি অনেক ভাল মানুষ তাই আগামী নির্বাচনে এলাকার উন্নয়ন চাইলে নৌকায় স্যারকে ভোট দিন।

তিনি বলেন, আমার বিশ্বাস স্যারই এই এলাকার সংসদ সদস্য প্রার্থী হতে পারেন।  

মেহেদী হাসান মিরাজ আরও বলেছিলেন , স্যার ক্রিকেটের অনেক উন্নয়ন করেছেন।  তিনি অনেক পরিশ্রমি নেতা।  আগামীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে আর স্যার এই এলাকায় বিজয়ী হলে ভৈরবে অনেক উন্নয়ন হবে।

এছাড়া ২০১৮ সালেই মিরাজ রাজশাহীর বাঘায় তৎকালীন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের পক্ষেও নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে নৌকার জন্য ভোট চেয়েছিলেন।

জনসভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন,  বিএনপি আবার ক্ষমতায় আসলে আওয়ামী লীগের কর্মীরা এদেশে থাকতে পারবেন না।  

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ও জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস দমনে আসন্ন নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিন। বর্তমান সরকার পদ্মা সেতুসহ দেশের ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। এখন আমেরিকার সাবেক প্রসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ পাকিস্তানের সাংবাদিকরা বলছে উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ থেকে শিক্ষা নিতে হবে।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও  উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্জ মোঃ সায়দুল্লাহ মিয়া, সহ- সভাপতি হাজি সিরাজ উদ্দিন, তালাওয়াত হোসেন বাবলা, অধ্যাপক সামসুজ্জামান বাচ্চু, এস এম বাকী বিল্লাহ, আতিক আহমেদ সৌরভ, শাখাওয়াত উল্লাহ, লুৎফর রহমান ফুলু প্রমুখ।

উল্লেখ্য যে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে যাতে জাতীয় দলের কোনো খেলোয়াড়কে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।