বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ঢাকা পর্বের খেলা শুরু হওয়ার কথা ছিল আজ (১৫ জানুয়ারি)। কিন্তু ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের পূর্ব ঘোষিত ‘সব ধরনের ক্রিকেট বয়কট’ কর্মসূচির কারণে দিনের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেস মাঠে নামেনি। এরপরে সূচি অনুযায়ী দ্বিতীয় ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও সিলেট টাইটানসের খেলা হওয়ার কথা থাকলেও সেই ম্যাচেও খেলোয়াড়রা উপস্থিত হননি।
এর ফলে আজ মাঠে কোনো খেলাই অনুষ্ঠিত হয়নি। গ্যালারিতে কিছু দর্শক ছিলেন, আর অনেকেই গেইটের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, বিপিএল টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক রাকিবুল হাসানসহ শীর্ষ পরিচালকরা মাঠে থাকলেও ক্রিকেটারদের মাঠে আনতে পারিনি।এক্ষেত্রে দর্শকদের বোঝাতে জায়ান্ট স্ক্রিনে একটি বার্তা প্রদর্শন করা হয়।
বিসিবি লিখেছে, 'বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছে যে আজকের চট্টগ্রাম রয়্যালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেস দলের মধ্যকার ম্যাচটি অনিবার্য কারণবশত বিলম্বিত হয়েছে। এতে দর্শকদের যে অসুবিধা হয়েছে, তার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং সকল দর্শককে অনুরোধ করছি ধৈর্য ধারণ করে আসনে অবস্থান করতে, কারণ ম্যাচটি যত দ্রুত সম্ভব শুরু করার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চলছে।'
এ পরিস্থিতির পেছনে মূল কারণ এম নাজমুল ইসলামের পদত্যাগ দাবিতে কোয়াবের কঠোর অবস্থান। এর আগে তামিম ইকবালকে ভারতের দালাল বলে ফেসবুকে সমালোচিত হন এবং বিশ্বকাপ না খেলার ক্ষেত্রে ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণের বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি।
এ নিয়ে কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন বলেছেন, “একজন দায়িত্বরত বোর্ড পরিচালক কখনোই এভাবে কথা বলতে পারেন না। এম নাজমুল পদত্যাগ না করলে ক্রিকেটাররা কোনো খেলা খেলবেন না।”