Image description

নিরাপত্তা ইস্যুতে বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে কোন ম্যাচ খেলতে চায় না বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে আইসিসিকে চিঠি দিয়ে ভেন্যু বদলের অনুরোধ জানিয়েছে বিসিবি। ক্রিকেটারদের যখন ভারতে পাঠাতে নারাজ বিসিবি, তখন এলিট প্যানেল আম্পায়ার শরফুদৌল্লা ইবনে শহীদ সৈকতের কী হবে? কারণ, তিনি যে আইসিসির চুক্তিবদ্ধ আম্পায়ার। তার ব্যাপারটি নির্ভর করছে পুরোপুরি আইসিসির উপর। এছাড়া ব্যক্তিগতভাবে নিজেও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন শরফুদৌল্লা ইবনে শহীদ সৈকত। এ নিয়ে বিসিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, আইসিসির এলিট প্যানেল আম্পায়ার হওয়ায় এখানে বিসিবির কোন করণীয় নেই।

আইসিসির এলিট প্যানেলে থাকা একমাত্র বাংলাদেশি আম্পায়ার শরফুদৌল্লা ইবনে শহীদ সৈকত বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করবে এটা একরকম নিশ্চিত। কারণ- বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টগুলোতে এলিট প্যানেলের সকল ম্যাচ অফিসিয়ালসদের কাজে লাগায়। সেই অনুযায়ী এবারের বিশ্বকাপে তার দায়িত্ব পাবেন এটাই স্বাভাবিক। তবে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে যাবে কি না সেটা নির্ভর করবে তার উপর ও আইসিসির উপর। তবে সরাসরি তাকে ভারতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়ার সুযোগ নেই বিসিবির। তবে ভিসা সংক্রান্ত জটিলতায় তার যাওয়াটা কঠিন হবে বলে মনে করে বিসিবি। কোন কারণে সৈকত সহজে ভিসা পেলে নিরাপত্তা ইস্যুতে তাকে ভারতে না যেতে ভিন্নভাবে নিষেধ করতে পারে বলে জানা গেছে।

সৈকত ছাড়াও আরেক বাংলাদেশি আম্পায়ারের এবারের বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করার সম্ভাবনা ছিল। তবে বিসিবি ভারতে ক্রিকেটারদের না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ওই আম্পায়ারকেও পাঠাবে না বিসিবি। ফলে শুধুমাত্র শ্রীলঙ্কায় কোন ম্যাচ পরিচালনা করার জন্য ওই আম্পায়ারকে বিসিবি ছাড়বে বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে ক্রিকেটারদের মতো চুক্তিবদ্ধ ম্যাচ অফিসিয়ালসদের ভারতে পাঠাবে না বিসিবি।