Image description

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে আট উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রানের সংগ্রহ গড়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

শুরুতে ভালো অবস্থানে থেকেও ইনিংসের শেষভাগে ব্যাটিং ধসে পড়ে রাজশাহীর। দলের হয়ে উজ্জ্বল ছিলেন সাহিবজাদা ফারহান ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে রংপুর রাইডার্স আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপাকে পড়ে রাজশাহী। ইনিংসের শুরুতেই ৬ বলে মাত্র ২ রান করে ফিরে যান তানজিদ হাসান তামিম। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে অধিনায়ক শান্তকে সঙ্গে নিয়ে পাল্টা আক্রমণে যান ফারহান। দুজনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায় রাজশাহী।
বাউন্ডারি আর রানের গতিতে চাপ তৈরি করেন শান্ত-ফারহান জুটি। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৫০ রান তোলে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। পাওয়ারপ্লে শেষে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে এই জুটি, মাঝের ওভারগুলোতে রংপুরের বোলারদের উপর চড়াও হন তারা।
তবে ইনিংসের মোড় ঘুরে যায় ১০৫ রানের মাথায়।

ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউটে বিদায় নেন অধিনায়ক শান্ত। ৩০ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। শান্তর বিদায়ের পর থেকেই ছন্দ হারায় রাজশাহীর ব্যাটিং।
পরপর উইকেট হারাতে থাকে দলটি। চারে নেমে মুশফিকুর রহিম ১০ বলে ৯ রান করে ফিরলে চাপ আরও বাড়ে।

পাঁচ নম্বরে নামা মোহাম্মদ নওয়াজ করেন ১১ বলে ১০ রান। এরপর একের পর এক ব্যাটসম্যান ব্যর্থ হওয়ায় বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা হারায় রাজশাহী।
১০৫ থেকে ১৪৩ এই ৩৮ রানের ব্যবধানে ৬টি উইকেট হারায় ওয়ারিয়র্সরা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রানেই থামে তাদের ইনিংস। ফারহান অর্ধশতক (৬৫) পূর্ণ করে দলের সর্বোচ্চ স্কোরার হন। শান্ত ও নওয়াজ ছাড়া আর কেউ দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।

রংপুর রাইডার্সের বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন ফাহিম আশরাফ, যিনি ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। অ্যালিস আল ইসলাম শিকার করেন ২ উইকেট। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান নেন ১টি উইকেট।