Image description

নেশনস লিগ চলার মধ্যেই আকস্মিকভাবে ক্যাম্প ছেড়েছেন তিনি। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর এই কাণ্ড এখন ফুটবল দুনিয়ার সবচেয়ে বড় আলোচিত বিষয়। ঠিক কী কারণে রোনালদো এমনটা করেছেন, তা নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। এই কাণ্ডে অবশ্য বড় শাস্তি পেতে পারেন সিআর সেভেন। নিয়ম বলছে, ৬ মাসের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারেন এই তারকা ফুটবলার।

ওয়েলসের বিপক্ষে এবারের আসরের প্রথম ম্যাচে বেশ কয়েকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন রোনালদো। তাকে ৬৫ মিনিটে তুলেও নেন কোচ। নরওয়ের বিপক্ষে পরের ম্যাচে মাঠে নামানো হয়নি রোনালদোকে। পর্তুগালের জার্সিতে তাকে আবার প্রথম একাদশে দেখা যাবে, সে নিয়েই চলছিল আলোচনা। এসবের মধ্যে ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচের দুই দিন আগে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়েছেন আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

৪১ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ কিংবদন্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্যাম্প ছাড়ার কথা জানিয়ে লিখেছেন, ‘জাতীয় দলের কোচের সংবাদ সম্মেলনের পর এবং পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির সঙ্গে কথা বলার পর আমি জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

ইএসপিএন বলছে, পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের (এফপিএফ) শৃঙ্খলা বিধিতে জাতীয় দলের ক্যাম্প চলার মাঝপথে ফিরে যাওয়ার শাস্তি হিসেবে ৬ মাস পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা এবং ৫০০ থেকে ১০০০ ইউরো পর্যন্ত জরিমানার নিয়ম রয়েছে। তিনি অনুশীলন, ম্যাচ কিংবা জাতীয় দলের যেকোনো কার্যক্রম থেকে সরে গেলেও ওই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

এফপিএফ–এর বিধিতে বলা আছে, ‘নিয়মিতভাবে ডাক পাওয়া সত্ত্বেও কোনো খেলোয়াড় যদি যৌক্তিক কারণ ছাড়া জাতীয় দল, এফপিএফ বা পর্তুগালের ক্রীড়া-প্রতিনিধিত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো অনুশীলন, ম্যাচ বা কার্যক্রম থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন কিংবা তাতে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হন, তবে তাকে এক থেকে ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে। এ ছাড়া ওই খেলোয়াড় পেশাদার হলে তাকে ৫০০ থেকে ১০০০ ইউরো জরিমানাও করা হবে।’

শেষ পর্যন্ত রোনালদোর ওপর এই শাস্তির খড়গ নেমে আসবে কিনা, সেটার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন।