কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে কেন্ট ক্রিকেট ক্লাব হয়ে খেলছেন বাংলাদেশি পেসার হাসান মাহমুদ। দেরিতে যোগ দিলেও প্রথম বিভাগে ওঠার লড়াইয়ে দলটিকে টিকিয়ে রেখেছেন বাংলাদেশি পেসার। যদিও চলমান ম্যাচে সুবিধাজনক অবস্থানে নেই কেন্ট। ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে কঠিন এই লড়াইয়ে তাদের স্বস্তি বলতে কেবল হাসানের দুই ইনিংস মিলিয়ে নেওয়া ৭ উইকেট।
১২তম রাউন্ডের ম্যাচে কেন্টের বিপক্ষে ডার্বিশায়ার প্রথম ইনিংসে ৩০০ রান তোলে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন হাসান। এই ম্যাচ দিয়ে আরেক বাংলাদেশি পেসার খালেদ আহমেদের অভিষেক হয়। ৩ উইকেট নিয়ে কাউন্টিতে নিজের যাত্রা রাঙিয়েছেন ডানহাতি এই পেসার। এরপর কেন্ট ব্যাটিংয়ে নেমে ২১৯ রানে গুটিয়ে যায়। ফলে তাদের বিপক্ষে ডার্বিশায়ারের লিড দাঁড়ায় ৮১ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ উইকেটে ৩৫২ রান তুলে ডার্বিশায়ার ডিক্লেয়ার করে। তবে তাদের ঝুলিতে তখনই ৪৩৩ রান হয়ে যায়। সেই লক্ষ্য তাড়ায় শেষ বিকেলে ব্যাটিংয়ে নেমে কেন্ট ৩ রান করতেই তৃতীয় দিন শেষ হয়। আরও বাকি দু’দিন। তাদের সামনে জয়ের সুযোগ আছে, তবে সেটি বেশ কঠিনই বটে। তাদের প্রয়োজন আরও ৪৩১ রান এবং ডার্বিশায়ার চাইবে দ্রুতই ১০ উইকেট তুলে নিতে।
এই মুহূর্তে কাউন্টির দ্বিতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় ৩ নম্বর অবস্থানে থাকা কেন্টের সামনে আরও দুটি ম্যাচ আছে। তবে এই ম্যাচে পয়েন্ট হারালে ব্যবধানে পিছিয়ে পড়তে হবে তাদের। কঠিন এই ম্যাচে তাদের স্বস্তি দুই ইনিংস মিলিয়ে হাসানের নেওয়া ৭ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ৩২ রানে ৩ উইকেট নেন। তবে প্রথম ইনিংসটা ভালো হলেও পরেরটিতে ঝলক দেখাতে পারেননি খালেদ। ১৮.৪ ওভারে ৬৪ রানের বিনিময়ে ছিলেন উইকেটশূন্য।
আগের ম্যাচে উস্টারশায়ারের বিপক্ষেও দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট নিয়ে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন হাসান। কাউন্টিতে প্রথমবারের অভিযানে এখন পর্যন্ত ৪ ম্যাচে তার শিকার ২৬ উইকেট (ইকোনমি ৩.২৩)। চলতি আসরে দলের তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি তিনি। যদিও তার সামনে থাকা দুই বোলার ৮-৯টি ম্যাচ খেলেছেন।