ইংল্যান্ড জাতীয় দলের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে রেকর্ড অঙ্কের ট্রান্সফার ফিতে দলে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ২৩ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারকে নটিংহ্যাম ফরেস্ট থেকে আনতে সিটিকে গুনতে হয়েছে ১১৬ মিলিয়ন পাউন্ড, যা প্রায় ১৩৫ মিলিয়ন ইউরো এবং বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১,৬০০ কোটি টাকা।
২০২৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে আটটি ম্যাচের সবকটিতেই শুরুর একাদশে খেলেছিলেন অ্যান্ডারসন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরই তাকে দলে ভিড়িয়েছে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নরা। সিটির সঙ্গে ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত চুক্তি করেছেন তিনি।
ক্লাবে যোগ দিয়ে অ্যান্ডারসন বলেন, ‘ম্যানচেস্টার সিটি বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাব। প্রতিটি পজিশনে তাদের অসাধারণ খেলোয়াড় রয়েছে। তারা আমাকে চায়- এটা জানার পর থেকেই এখানে আসার জন্য আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাইরে থেকে দেখলে বোঝা যায়, সিটি খেলোয়াড়দের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে। গত ১০-১৫ বছরে তাদের সাফল্য ও খেলার ধরন অসাধারণ। এই দলের অংশ হতে পারা আমার জন্য গর্বের।’
এই ট্রান্সফারের মাধ্যমে অ্যান্ডারসন শুধু সিটিরই নয়, ফুটবল ইতিহাসেরও অন্যতম ব্যয়বহুল খেলোয়াড়দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।
ম্যানচেস্টার সিটির ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ৫টি সাইনিং
• ১. এলিয়ট অ্যান্ডারসন (২০২৬): নটিংহাম ফরেস্ট থেকে ১৩৫ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ১,৬০০ কোটি টাকা)।
• ২. জ্যাক গ্রিলিশ (২০২১): অ্যাস্টন ভিলা থেকে ১১৭.৫ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ১,৩৯০ কোটি টাকা)।
• ৩. জাসকো ভার্দিওল (২০২৩): আরবি লাইপজিগ থেকে ৯০ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ১,০৬৫ কোটি টাকা)।
• ৪. ওমর মারমুশ (২০২৫): আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে ৭৫ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ৮৯০ কোটি টাকা)।
• ৫. কেভিন ডি ব্রুইন (২০১৫): ভলফসবুর্গ থেকে ৭৬ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ৯০০ কোটি টাকা)।
বিশ্বকাপে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়ার পর এবার ইউরোপের অন্যতম সফল ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। ক্লাবটির প্রত্যাশা, মিডফিল্ডে তার আগমন আগামী মৌসুমে দলকে আরও শক্তিশালী করবে।