ট্রেন্ট ব্রিজে ভারতের শুরুটা ছিল আগুনের মতো। ৯ বলেই ২২ রান, তিনটি ছক্কা; ইংল্যান্ডের ২০২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত যেন ঝড়ের গতিতে এগোচ্ছিল। কিন্তু সেই ঝড়ই কয়েক ওভারের মধ্যে পরিণত হলো ধ্বংসস্তূপে। ইংল্যান্ডের ২০১ রান তাড়া করতে নেমে ভারত অলআউট হলো মাত্র ৭৬ রানে। ১২৫ রানের এই হার ভারতের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের পরাজয়।
তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ২০১ রান করে ইংল্যান্ড। ফিল সল্ট করেন ৪৪ বলে ৭০ রান। শেষ দিকে স্যাম কারানের অপরাজিত ৪১ রানে দুইশ পেরোয় স্বাগতিকরা। ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে লক্ষ্যটা কঠিন হলেও অসম্ভব মনে হচ্ছিল না ভারতের জন্য।
কিন্তু শুরুতেই অতিরিক্ত আগ্রাসনের মূল্য দিতে হয় সফরকারীদের। বৈভব সূর্যবংশী ও অভিষেক শর্মার ছক্কায় শুরুটা উড়ন্ত হলেও দ্রুত ভেঙে পড়ে ইনিংস। অভিষেক হন জশ টাংয়ের প্রথম শিকার। এরপর জফরা আর্চারের বাউন্সারে গ্লাভস ছুঁয়ে ফেরেন সূর্যবংশী।
চতুর্থ ওভারের শেষ বলে ইশান কিশান, পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার, এরপর অক্ষর প্যাটেলও ফিরলে ভারত ৫ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে। সেই ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি তারা। ভারতের ইনিংসে তিনজন ব্যাটার দুই অঙ্কে পৌঁছান। অভিষেক করেন ১০, বৈভব ও ইশান দুজনেই করেন ১৩ রান।
ইংল্যান্ডের হয়ে জশ টাং নেন ৪ উইকেট। আর্চারের শুরুটা ছিল বিধ্বংসী, তার গতির সামনে ভারতের টপ অর্ডার দিশা হারায়। ৩ উইকেট নেওয়া আর্চারই হন ম্যাচসেরা। পরে আদিল রশিদ ও উইল জ্যাকস বাকি কাজ শেষ করেন।
এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। প্রথম ম্যাচ ভেসে যাওয়ার পর টানা দুই জয়ে সিরিজের নিয়ন্ত্রণ এখন তাদের হাতে। ভারতের সামনে এখন বাকি দুই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ।