Image description

বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের আধিপত্য আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপ নিল সৌদি আরব। 

দেশটির সার্বভৌম সম্পদ তহবিল ‘পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড’ (পিআইএফ) উত্তর আমেরিকা এবং এশিয়ার জন্য ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল টুর্নামেন্ট সাপোর্টার হিসেবে নাম লিখিয়েছে।

২০৩৪ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার আগে আন্তর্জাতিক ফুটবলের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্যেই এই চুক্তি।

 

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপ।

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এই আসরে অংশ নেবে ৪৮টি দল। 

 

ফিফা এবং পিআইএফ এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই অংশীদারিত্বের আওতায় তৃণমূল পর্যায়ের ফুটবল উন্নয়ন, যুব ও নারী ফুটবল, শিক্ষা প্রকল্প এবং কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশ্বব্যাপী কাজ করা হবে।

তবে এই চুক্তির আর্থিক অংকের বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

 

এর আগে ২০২৫ সালের ক্লাব বিশ্বকাপের জন্যও ফিফার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল পিআইএফ।

মূলত ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের আগে বিশ্ব ফুটবলের বাণিজ্যিক ইকোসিস্টেমে নিজেদের অবস্থান পোক্ত করতে চায় সৌদি আরব। 

 

পিআইএফ-এর করপোরেট ব্র্যান্ড প্রধান মোহাম্মদ আলসাইয়াদ বলেন, ‘পিআইএফ বিশ্বজুড়ে ফুটবলের প্রসার ঘটাতে এবং খেলোয়াড় ও ভক্তদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে।’

পিআইএফ ২০২২ সাল থেকে লিভ গলফ-এ ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ করার পর সম্প্রতি জানিয়েছে, ২০২৬ মৌসুম শেষে তারা সেখানে অর্থায়ন কমিয়ে আনবে। তবে বিভিন্ন খেলাধুলায় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ অব্যাহত রাখা তাদের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বাধীন এই সংস্থাটি।

মাঠের লড়াইয়েও প্রস্তুত হচ্ছে সৌদি আরব। গত মাসে প্রধান কোচ হার্ভে রেনার্ডের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের পর নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় আছে দলটি। আগামী ১৫ জুন উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে। ‘এইচ’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ হলো স্পেন এবং বিশ্বকাপের নবাগত দল কেপ ভার্দে।