Image description

২০২৩ সালে এশিয়া কাপ ও ২০২৫ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি হাইব্রিড মডেলে আয়োজিত হওয়ায় সবচেয়ে বেশি সুবিধা হয়েছিল ভারতের। এশিয়া কাপে ভারতীয়রা নিজেদের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় এবং চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিজেদের সব ম্যাচ সংযুক্ত আরব আমিরাতে খেলেছিল। ফলে সবচেয়ে কম ভ্রমণ করতে হয়েছিল ভারতীয়দের। দুই টুর্নামেন্টেই চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল রোহিত শর্মার দল।

এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেই সুবিধা পাচ্ছে পাকিস্তান। ভারত সরকার যেহেতু এশিয়া কাপ ও চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে দল পাঠায়নি। তাই পাকিস্তান সরকারও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে দল পাঠায়নি। 

হাইব্রিড মডেলের বিশ্ব আসরে পাকিস্তান নিজেদের সবকটি ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কায়।

ফলে এবার সুপার এইট পর্বে ওঠা দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম ভ্রমণ করতে হচ্ছে সালমান আলী আগার দলকে। 

 

গ্রুপ পর্ব থেকে সুপার এইট পর্ব পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার তিন ভেন্যু (কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম, কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ও ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়াম) মিলিয়ে মাত্র ১৫৪ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হবে পাকিস্তান দলকে। বিপরীতে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক ভারতকে ভ্রমণ করতে হবে ১০৪৩২ কিলোমিটার। 

আসলে, ভারতীয় দলের ম্যাচ আয়োজনের জন্য সব রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনেরই একটা দাবি থাকে।

এ কারণে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) রোটেশন পদ্ধতিতে ম্যাচগুলো ভাগ করে দেয়। 

 

তাই নিজেদের মাটিতে ভারত সাধারণত একই ভেন্যুতে, কখনো কখনো একই রাজ্যে টানা কয়েকটি ম্যাচ খেলতে দেখা যায় না। 

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও সেটির ব্যতিক্রম হচ্ছে না। তাই আসরে নিজেদের পাঁচ ভেন্যু আহমেদাবাদ, মুম্বাই, দিল্লি, চেন্নাই, কলকাতায় যেমন তাদের খেলা পড়েছে, একইসঙ্গে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে কলম্বোয় যেতে হয়েছে। এতে ভারতীয়দের ভ্রমণ ঝক্কি বেশি পোহাতে হচ্ছে।

সুপার এইট পর্বে ওঠা ৮ দলের ভ্রমণ

ভারত ➟ ১০৪৩২ কিলোমিটার
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ➟ ৮২৯৭ কিলোমিটার
জিম্বাবুয়ে ➟ ৫৭৭৬ কিলোমিটার
ইংল্যান্ড ➟ ৪৪৮৬ কিলোমিটার
নিউজিল্যান্ড ➟ ৪৪৭৫ কিলোমিটার
দক্ষিণ আফ্রিকা ➟ ২৯৫৮ কিলোমিটার
শ্রীলঙ্কা ➟ ৭৭০ কিলোমিটার
পাকিস্তান ➟ ১৫৪ কিলোমিটার