ফিফা আসিয়ান কাপে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলে হারের পর বাংলাদেশি দুই ফুটবলার সোহেল রানা জুনিয়র এবং সাদ উদ্দিনের একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দুই ফুটবলারকে একটি পানশালায় তিনজন নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। এদিকে ফুটবলার সোহেল রানা ছবিটি নেপালের বলে দাবি করলেও তার সত্যতা মিলছে না। কারণ নেপালে কোনো ‘এইচ ক্লাবের’ অস্তিত্ব নেই।
গতকাল ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলে হারের পর এলেনা নামের এক ইন্দোনেশিয় তরুণী টুইটারে একটি ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘এটা এইচ ক্লাবের ছবি, যেখানে বাংলাদেশের ফুটবলারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল। তারা বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া ম্যাচ দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। খেলা দেখতে গিয়ে আমাদের দলকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশকে নিয়ে চিয়ার করলে খুব হাসির ব্যাপার হতো।’
জাকার্তার দ্য এইচ ক্লাব।ওই ছবিতে তিন তরুণীর মাঝে হাস্যোজ্জ্বল সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানা জুনিয়রকে দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যেই এক তরুণীকে বাহুডোরে নিয়ে বসে আছেন ডিফেন্ডার সাদ উদ্দিন। তবে সোহেল রানা দাবি করেছেন, ‘ওই ইন্দোনেশিয়ান ফ্রেন্ডের (এলেনা) সঙ্গে দুই মাস আগে নেপালে দেখা হয়েছিল। আমাদের এক ফ্রেন্ডের মাধ্যমে ওর সাথে পরিচয়। আমরা এখানে ৯-২ গোলে হারার কারণে ও আমাদেরকে একটু ইয়ে করে ছবি পোস্ট করে। এখন মানুষ এমনভাবে ক্যাপশন দিচ্ছে যে, আমরা নয় গোল খেয়ে নাকি পার্টি করেছি। কিন্তু টিম হোটেলে আসতে আসতেই আমাদের বারোটা বেজে গেছে।’
তারা হয়তো ৯ গোল খেয়ে পার্টিতে যান নি। তার আগেও যেতে পারেন। কারণ এলেনার পোস্ট করা ওই ছবিটি নেপালের নয়। নেপালে কোনো ‘এইচ ক্লাব’-এর অস্তিত্ব নেই। এটি একটি নাইট ক্লাব এবং এশিয়ার সবচেয়ে বড় নাইটক্লাব হিসেবে পরিচিত। এটির অবস্থান দক্ষিণ জাকার্তায়। হতে পারে ইন্দোনেশিয়ার ম্যাচের আগে কোনো একদিন সাদ ও সোহেল রানা জুনিয়র গিয়েছিলেন এই নাইট ক্লাবে।
প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশ দলের সঙ্গী হয়ে বিভিন্ন পদবী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া যাওয়া তিন কর্মকর্তা কী করছিলেন ওই রাতে। ম্যনেজার আমিরুল ইসলাম বাবু, টিম লিডার ইকবাল হোসেন ও কো-অর্ডিনেটর আমের খান কোথায় ছিলেন। তারা টিম হোটেলে ছিলেন তো!