২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন এমন অন্তত পাঁচজন খেলোয়াড়, যাদের বিরুদ্ধে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ধর্ষণ বা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছিল অথবা তদন্ত চলমান ছিল। তবু ফিফা তাদের নিবন্ধনে কোনো বাধা দেয়নি। ফিফার অবস্থান হলো, যদি সংস্থার পক্ষ থেকে কোনো শাস্তিমূলক স্থগিতাদেশ না থাকে অথবা আদালত থেকে কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি না হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় মাঠে নামার যোগ্য থাকবেন।
রায়ান মেন্দেস — কেপ ভার্দে
কেপ ভার্দে জাতীয় দলের অধিনায়ক রায়ান মেন্দেসের বিরুদ্ধে একজন ব্রাজিলিয়ান নারীর ধর্ষণের অভিযোগে তদন্ত করছে নিউজিল্যান্ড পুলিশ। চলতি বছরের মার্চে ওশেনিয়া সফরে থাকার সময় ঘটনাটি ঘটে এবং এপ্রিল থেকে তদন্ত চলছে। বিষয়টি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের আগে আবার নতুন করে আলোচনার জন্ম দিচ্ছে।
জুনিয়া ইতো — জাপান
জাপানের ফরোয়ার্ড জুনিয়া ২০২৪ সালের শুরুতে তার বিরুদ্ধে ওসাকার একটি হোটেলে দুই নারীকে মদ্যপ অবস্থায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। সে সময় এশিয়ান কাপ দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল তাকে।
কাইশু সানো — জাপান
২০২৪ সালের জুলাইয়ে টোকিওর একটি হোটেলে একজন নারীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন মিডফিল্ডার কাইশু সানো। এক বছর পর তিনি দলে ফিরে প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। আইনি প্রক্রিয়া শেষে সানো দোষী সাব্যস্ত হননি।
আশরাফ হাকিমি — মরক্কো
মরক্কোর তারকা ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমির বিরুদ্ধে ২০২৩ সালে ফ্রান্সে ২৪ বছর বয়সী এক নারী ধর্ষণের অভিযোগ করেন। পিএসজির এই খেলোয়াড় মামলা খারিজের আবেদন করলেও ভার্সাই আপিল আদালত তা নাকচ করে দেয়। ফলে ফরাসি আদালতে তাঁর বিচার হবে।
থমাস পার্তে — ঘানা
ঘানার মিডফিল্ডার থমাস পার্তের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের সাতটি অভিযোগ রয়েছে। ২০২১ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে আর্সেনালে থাকাকালীন দুই নারীর বিরুদ্ধে এই অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ বছর আরও দুই নারী একই ধরনের অভিযোগ করেছেন।