রাজনীতির কিংবদন্তি বাংলাদেশের নেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় 'ইচ্ছাকৃত অবহেলা' এবং তাকে পরিকল্পিতভাবে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকী। তিনি বলেন, ভুল ওষুধের প্রয়োগ (যেমন মেথোট্রেক্সেট) খালেদা জিয়ার লিভারকে দ্রুত ধ্বংসের দিকে নিয়ে গিয়েছিল, যা অনেকটা 'স্লো পয়জনিং'-এর মতো কাজ করেছে। এই ঘটনা খালেদা জিয়াকে হত্যার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ ছিল কি না তা ক্ষতিয়ে দেখতে একটি আইনগত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
চিকিৎসায় অবহেলার সব প্রমাণ রয়েছে দাবি করে ডা. এফএম সিদ্দিকী বলেন, ওই সময়ের সরকার কর্তৃক নিয়োজিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা প্রয়োজন। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে 'ম্যাডামের' চিকিৎসাসংক্রান্ত বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সব ডকুমেন্ট (তথ্যপ্রমাণ) আইনগতভাবে জব্দ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।
গতকাল শুক্রবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভায় তার মেডিকেল পরিস্থিতি তুলে ধরে ডা. এফএম সিদ্দিকী এ দাবি জানান। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের মুখে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ বাসায় থাকার শর্তসাপেক্ষে জেল থেকে মুক্তি পান খালেদা জিয়া।

শোকসভায় ডা. সিদ্দিকী বলেন, ২০২১ সালের ২৭ এপ্রিল করোনাসংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর আমরা তার চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করি। আমাদের তত্ত্বাবধানে ভর্তির সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অত্যন্ত বিস্ময় ও উদ্বেগের সঙ্গে দেখতে পাই-ম্যাডাম লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত এবং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসার ছাড়পত্রে তাকে 'মেথোট্রেক্সেট' নামের একটি ট্যাবলেট আর্থ্রাইটিসের জন্য নিয়মিত খাওয়ার নির্দেশ দেওয়া আছে এবং ভর্তি থাকা অবস্থায় খাওয়ানো হয়েছে। আমরা তাৎক্ষণিক ওষুধটি বন্ধ করি। তিনি বলেন, ম্যাডাম 