Image description

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন সামনে রেখে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে আদালতে দায়ের করা এক রিট নিয়ে। এ প্রসঙ্গে শিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’-এর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী এস এম ফরহাদ অভিযোগ করেছেন, “জনবিচ্ছিন্ন বামরা ডাকসু বানচালের ষড়যন্ত্র করছে।”

 

রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুরে ডাকসু ভবনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে ফরহাদ বলেন, আগে আমাদের নিয়ে নানা ধরনের প্রোপাগান্ডা চালানো হয়েছে। এখন অন্তত আদালতে যাওয়া হচ্ছে। তবে প্রশ্ন হলো—এ রিট আরও আগে কেন করা হলো না? নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে কেন দায়ের করা হলো? এটি আসলে নির্বাচন বানচালের অংশ কিনা তা নিয়ে শিক্ষার্থীরা শঙ্কিত।

 

তিনি বলেন, যিনি রিট দায়ের করেছেন তার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আছে। তবে এটি আদালতের বিবেচনাধীন বিষয়। মীমাংসা আদালতেই হবে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু এটিকে কেন্দ্র করে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা হলে শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

 

ফরহাদ বাম সংগঠনগুলোর উদ্দেশে বলেন, জনবিচ্ছিন্ন বামরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে ব্যবসা করছে। দিল্লির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। তারা মুক্তিযুদ্ধের ঠিকানার নয়। মুক্তিযুদ্ধ ও মানচিত্র সবার, কোনো নির্দিষ্ট পক্ষকে মুক্তিযুদ্ধের ঠিকাদারির দায়িত্ব দেয়া হয়নি।

 

সংবাদ সম্মেলনে একই প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম বলেন, আসন্ন ৯ সেপ্টেম্বরের নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের আস্থা প্রকাশ করবে। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে কোনো ভাবনা না করে “বাকশাল ও দিল্লির বয়ান বাজাচ্ছে।

 

কায়েম আরও জানান, তাদের নারী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সাইবার বুলিং, ছবি বিকৃতি ও চরিত্রহননের চেষ্টা চলছে। এ নিয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিলেও এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি নিরপেক্ষ আচরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা তাদেরকে প্রতিরোধ করবে।