Image description

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ সমঝোতার ভিত্তিতে নাকি এককভাবে—এমন মৌলিক প্রশ্নকে কেন্দ্র করে ১১ দলীয় ঐক্যের অন্দরে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। জোটের প্রধান দুই দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মধ্যকার এ দরকষাকষিতে দূরত্ব যেমন দিন দিন বাড়ছে, তেমনি রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালোভাবে প্রশ্ন উঠেছে—আসলে কী চলছে এ জোটের ভেতরে? বিশেষ করে ঢাকা সিটি করপোরেশনে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে সৃষ্ট সংকটের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ মহলে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি এখন ঘুরপাক খাচ্ছে—এনসিপি কি শেষ পর্যন্ত জামায়াতকে ছাড়তে চাচ্ছে?

এনসিপির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় নির্বাচনে জোট করতে আগ্রহী এনসিপি। কিন্তু জামায়াত তাতে রাজি নয়। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও পৃথকভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিলে এ রেষারেষির প্রভাব আগামী দিনে জোটের ওপর পড়বে। তাই আগেভাগেই জামায়াত জোট থেকে বেরিয়ে ‘একলা চলো’ নীতিতে হাঁটার পক্ষে মত দলের বেশিরভাগ নেতার। এজন্য লংমার্চে দলের নেতাদের উপস্থিতিও কমানো হয়েছে। জোটগত কর্মসূচি থেকে বের হয়ে এককভাবে কর্মসূচি পালনে নানা পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হচ্ছে।

তাদের মতে, জামায়াত ও এনসিপির আদর্শ ভিন্ন। এই জোট কোনো মতাদর্শিক জোটও নয়। মুক্তিযুদ্ধসহ নানা বিষয়ে জামায়াতের সঙ্গে দ্বিমত থাকলেও তা প্রকাশ্য আনা যাচ্ছে না। ফলে দলের গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন কমছে, দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথে বাধার মুখে পড়ছে এনসিপি। সাধারণ মানুষও তাদের বিভিন্ন সময়ে জামায়াত ‘ট্যাগ’ দিচ্ছে। এই ট্যাগের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছেন এনসিপি নেতাকর্মীরা।

জোট গঠনের পাঁচ মাসের মাথায় প্রথম প্রকাশ্য আসে জামায়াত ও এনসিপির দূরত্ব। বিশেষ করে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে গত ৯ এপ্রিল জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) বিলে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই বিলে জামায়াত আপত্তি জানালেও এনসিপির সংসদ সদস্যরা লিখিতভাবে সমর্থন দেওয়ায় দলটিকে নিয়ে জামায়াতের অভ্যন্তরেও নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হয়। জামায়াতের একাধিক নেতা মনে করেন, এনসিপি বিলে সমর্থন দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে জনগণকে প্রশ্ন তোলার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

সূত্র জানায়, নির্বাচনে আগেই জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে যোগদানের বিপক্ষে ছিল এনসিপির বড় একটি অংশ। তারা শুরু থেকেই মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন বিষয়ে জামায়াতের অবস্থানের বিরোধিতা করে আসছিল। এর জের ধরে ডা. তাসনিম জারাসহ দলের কয়েকজন নেতা সেই সময়ে দলত্যাগ করেন। জামায়াত পক্ষের নেতাদের চাপে তখন বাকি নেতারাও কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন। এবার জোট গঠনের প্রায় ১০ মাসের মাথায় আবারও বেশিরভাগ নেতা জামায়াত জোট ছাড়ার পক্ষে মত দিচ্ছেন। নানা ইস্যুতে দল দুটির মধ্যে কমেছে যোগাযোগের পরিধিও। এতে জামায়াতের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকা নেতাদের বলয় কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া জামায়াত নিজেরা কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নিয়ে শরিকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ায় এনসিপিসহ শরিক দলগুলো অসন্তুষ্ট। সবশেষ তা আবারও দৃশ্যমান হয় গত শনিবার ঢাকা-খুলনা লংমার্চে।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার কালবেলাকে বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত হয়েছে, স্থানীয় নির্বাচনে কোনো দলের সঙ্গে সমঝোতা হবে না। জোটের প্রতিটি দলই এককভাবে যার যার মতো করে নির্বাচন অংশ নেবে। এখন সেভাবেই প্রতিটি দল প্রস্তুতি নিচ্ছে। নির্বাচনের সময় এলে সমঝোতা হবে কি না, তখন দেখা যাবে। আগামী দিনে জোটের মধ্যে আলোচনা হবে কি না, তা এখনই বলা কঠিন।’

এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য এবং দলটির মিডিয়া উপকমিটির প্রধান সারোয়ার তুষার কালবেলাকে, ‘জোট ভাঙার মতো কোনো বিষয় নেই। জোট জোটের মতোই আছে। স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো দূরত্ব নেই। যার যার মতো করে নির্বাচনে অংশ নেব—এটা দুই পক্ষের সিদ্ধান্ত।’

তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে নির্বাচনে নিয়ে দুই দলের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। তবে সমঝোতা হওয়ার তেমন সুযোগ দেখছি না। আমরা এককভাবে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। ভালো ফলে নিয়ে আসার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে কাজ করছি। স্থানীয় নির্বাচনকে আমরা দলের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী ও তৃণমূলের ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত দলের পরিচয় পৌঁছানোর কাজ হিসেবে দেখছি।’

যদিও এনসিপির একজন যুগ্ম আহ্বায়ক কালবেলাকে বলেন, ‘এনসিপি জোট থেকে বের হয়ে আসতে চায়, এ নিয়ে দলের মধ্যে আলোচনা চলছে। অনেকেই জামায়াত জোট ছাড়ার বিষয়টি অনুধাবন করছেন। এজন্য জোটের কর্মসূচি ও বৈঠকে এনসিপি নেতাদের অংশগ্রহণ সীমিত করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক গ্যাপ তৈরি হয়েছে। নির্বাচনি দাবি-দাওয়া পূরণ না হলে তখন তো আর ঐক্য থাকে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের গঠনতন্ত্র ও আদর্শ ভিন্ন। নিজেদের রাজনীতিকে আরও এগিয়ে নিতে চাই। কিন্তু জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের দাবি-দাওয়া সম্পর্কিত বিষয়গুলো মাথায় রেখেই আলাদাভাবে মাঠে নামার প্রয়োজন অনুভব করছে সবাই। তাই ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে চায় শীর্ষ নেতারা।’

গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম ও ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে লংমার্চে এনসিপির শীর্ষ নেতাদের দেখা গেলেও গত শনিবার ঢাকা-খুলনার লংমার্চে দেখা যায়নি, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নানা আলোচনা। দুই দলের নেতাদের মধ্যে থেকেও আসছে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে। যদিও জোটের একাধিক নেতা বলছেন, এর আগে গোপালগঞ্জে গিয়ে এনসিপির শীর্ষ নেতারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন। সে কারণে হামলার আশঙ্কা ও নিরাপত্তার প্রশ্নে এবার লংমার্চে তাদের নেওয়া হয়নি। তবে যশোর ও কুষ্টিয়ার সমাবেশে এনসিপির তিন নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ, আরিফুল ইসলাম আদিব ও আব্দুল হান্নান মাসউদ যোগ দিয়েছিলেন।

লংমার্চে আগের দিন গত শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগে বড় সমাবেশ করে এনসিপি। সেখানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও দক্ষিণ সিটিতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে পরিচয় করিয়ে দেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। একই সঙ্গে নির্বাচনে এককভাবে অংশগ্রহণের পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা উত্তরে দলটির উত্তর শাখার আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং দক্ষিণে ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েমকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে দল দুটির মধ্যে মতবিরোধ ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে।

জোটের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সিটি করপোরেশনসহ কিছু এলাকায় সমঝোতা করে ভোট করতে চায় এনসিপি। এ নিয়ে দুই দলের নেতাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু জামায়াত সমঝোতা না করতে অনড়। একই ইস্যুতে জোটের অন্য শরিকদের মধ্যেও বাড়ছে অসন্তোষ। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আলাদাভাবে অংশ নিলে ১১ দলীয় ঐক্যভুক্ত দলগুলো ঐক্য ক্রমেই আরও দুর্বল হয়ে পড়বে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, চার দফা দাবিতে সারা দেশের মহানগর পর্যায়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এনসিপি। চলতি মাসে নারায়ণগঞ্জে সমাবেশ করার কথা রয়েছে দলটির। সেখান নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের মেয়র প্রার্থী হিসেবে এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য ও যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদের নাম ঘোষণা করবেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। আলী আহসান জুনায়েদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ছিলেন। অন্যদিকে এই সিটিতে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী মহানগর জামায়াতের আমির ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল জব্বার।

জানা গেছে, স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে এনসিপি নিজেদের স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিচয় ও সাংগঠনিক সক্ষমতা তুলে ধরতে চায়। পাশাপাশি নিজেদের জনসমর্থন যাচাইও করতে চায় দলটি। এ কারণে ১১ দলীয় ঐক্যে থাকলেও জোটের কর্মসূচিতে আগের মতো অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে এনসিপি। পাশাপাশি নিজেদের কর্মসূচিতেও জামায়াতের সাংগঠনিক সহযোগিতা না নেওয়ার পক্ষে মত বেশিরভাগ নেতার। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থী নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়ারও পরিকল্পনা করছে দলটি।

১১ দলীয় ঐক্যের শরিক দলগুলো মনে করছে, সংসদ নির্বাচনে আসন সমঝোতা এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার পরও স্থানীয় নির্বাচনে সমন্বয় করা না হলে ঐক্যের গুরুত্ব কমে যাবে। স্থানীয় ভোটে জোটের প্রশ্নটি শুধু প্রার্থী সমন্বয়ের ওপর নয়; এর সঙ্গে শরিক দলগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব, সাংগঠনিক বিস্তার এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনি অবস্থানও জড়িত।

এনসিপির একাধিক নেতা বলেন, এই জোটে এনসিপিসহ অনেক দলই এখন স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে না। সরকার গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করলে এ ঐক্যের কার্যকারিতা আর থাকবে না।

জামায়াতের নীতিনির্ধারণী ফোরামে এক নেতা বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিয়ে এনসিপি হয়তো অসন্তুষ্ট। তারা সিটি নির্বাচনে জোটের সর্মথন চায়। কিন্তু আমরা চাই প্রতিটি দল এককভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। কারণ জোট রাজনীতির অতীতে স্থানীয় নির্বাচনে কখনো সমঝোতা হয়নি।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম কালবেলাকে বলেন, ‘জোটের কারও সঙ্গে কোনো দূরত্ব নেই। কিছু বিষয়ে হয়তো মতপার্থক্য বা মনকষাকষি থাকতে পারে। আমরা একসঙ্গে রাজপথের আন্দোলনে আছি এবং থাকব। সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আলাদাভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

দলটির আরেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের কালবেলাকে বলেন, নির্বাচনের সময় আবারও আলোচনা বসতে পারেন। তখন সবকিছুর সমাধান হবে। এ নিয়ে জোটের ভেতরের কোনো দূরত্ব নেই, কোনো সমস্যাও নেই।

তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের মূল টার্গেট হলো জুলাই সনদ বাস্তবায়ন। সেই দাবিতে আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি, কর্মসূচি পালন করছি। প্রতিটি দলের আলাদা কর্মসূচি দেওয়ার স্বাধীনতা রয়েছে। আমরাও আলাদা কর্মসূচি দিচ্ছি। প্রতিটি দল তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসূচি পালন করবে। এতে জোটের পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই।’

এ বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইসহাক সরকার কালবেলাকে বলেন, ‘এনসিপির নিজস্ব স্বতন্ত্র রয়েছে। ঐক্য হলেও দলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ভিন্ন। তারা তাদের মতো কাজ করছে, আমরা আমাদের মতো কর্মসূচি পালন করছি। ঢাকা সিটিতে দলের প্রার্থী নির্ধারণ করেছি। আমাদের কিছু চাওয়া-পাওয়া আছে। জোটগত নির্বাচন হলে এক কথা, না হলে ভিন্ন কথা। আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি।’

আসছে এনসিপির ‘সংখ্যালঘু অ্যালায়েন্স’: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনেক আসনে জয়-পরাজয়ে ব্যবধান গড়ে দিয়েছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটব্যাংক। তাই হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোট নিজেদের পক্ষে রাখতে এবার ‘হিন্দু অ্যালায়েন্স’ উইং খুলছে এনসিপি। জানা গেছে, চলতি নভেম্বরের শেষদিকে এই অ্যালায়েন্সের ঘোষণা আসতে পারে। এর নেতৃত্বে থাকতে পারেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রীতম দাশ। এই অ্যালায়েন্স গঠন হলে তা জামায়াতের বিপক্ষে যাবে বলেও মনে করছেন কেউ কেউ।

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক প্রীতম দাশ কালবেলাকে বলেন, হিন্দু আলায়েন্স গঠনের ব্যাপারে দলের মিটিং চলছে। সারা দেশের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। এই মাসের মধ্যে ঘোষণা আসতে পারে।