Image description

সরকারকে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশে অতীতে যত গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, তার কোনোটিই বাতিল করা হয়নি। তাহলে বর্তমান গণভোট বাতিলের বিষয়ে কেন ধোঁয়াশা সৃষ্টি করা হচ্ছে, তা জনগণ জানতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও যশোর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল।

শনিবার বিকেলে চৌগাছা উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা গোলাম মোরশেদ।

অধ্যাপক গোলাম রসুল বলেন, “গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে দেশে স্বৈরাচারের পথ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে এবং সময়মতো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অনেক রক্তের বিনিময়ে আমরা নতুন স্বাধীনতা অর্জন করেছি। কিন্তু দেশের মানুষ এখনো প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে পারলে সাধারণ মানুষের মুক্তি নিশ্চিত হবে।”

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ। তিনি বলেন, “চৌগাছা ও ঝিকরগাছার উন্নয়নে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা নুরুজ্জামান, সহকারী সেক্রেটারি সাংবাদিক রহিদুল ইসলাম খান, মাষ্টার কামাল আহমেদ, মাওলানা গিয়াস উদ্দীন, পৌর আমির মাওলানা আব্দুল খালেক, মাষ্টার ইমদাদুল হক ও শ্রমিক নেতা তুহিনুর রহমান প্রমুখ।

সম্মেলনে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন যশোর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল। ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— ফুলসারা ইউনিয়নে জাহিদুল ইসলাম, পাশাপোল ইউনিয়নে মাওলানা শাহ আলম, ধুলিয়ানী ইউনিয়নে রোকনুজ্জামান, চৌগাছা ইউনিয়নে মাওলানা রুহুল কুদ্দুস, জগদীশপুর ইউনিয়নে মাওলানা আব্দুর রহমান, পাতিবিলা ইউনিয়নে মাওলানা নুরুল ইসলাম, হাকিমপুর ইউনিয়নে হাফেজ আমিন উদ্দীন খান, স্বরূপদাহ ইউনিয়নে মাওলানা গিয়াস উদ্দীন, নারায়ণপুর ইউনিয়নে তুহিনুর রহমান এবং সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নে আব্দুল আলিম।