Image description

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে বিএনপি নেতার চাঁদাবাজির মামলায় মো. মিলন (২৫) নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৮ মে) রাতে উপজেলার করইতলা বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মিলন চরলরেন্স ইউনিয়নের ৪ নাম্বার ওয়ার্ডের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে এবং চরলরেন্স ইউনিয়ন যুবদলের একাংশের সাধারণ সম্পাদক।

এর আগে, গত ২০ এপ্রিল চরলরেন্স ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোরশেদ বাদী হয়ে মিলনসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে কমলনগর থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় মিলনকে এক নাম্বার আসামি করা হয়।

অপর আসামিরা হলেন, একই ইউনিয়নের হাফিজ উল্যাহ মান্টুর ছেলে মোশারফ হোসেন (২৭), ওয়াহেদুন নবী বিপ্লবের ছেলে মেজবাহ উদ্দিন রাতুল (২২), ছানা উল্যাহ'র ছেলে আবদুল মন্নান (২০) ও মৃত নুরনবী ছেলে মো. জিহাদসহ (২০) অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জন।

 

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাসিনা সরকার পতনের পর মিলন যুবদলের প্রভাব বিস্তার করে এলাকার নিরীহ লোকজন থেকে চাঁদাবাজি, সরকারি জায়গা দখল ও করইতলা এলাকার বিভিন্ন স্পটে জুয়ার আসর বসাতেন। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই বিভিন্ন অপকর্মের এসব অভিযোগ থাকলেও সরকারের ভাবমূতি ক্ষুণ্ন হবে মনে করে মামলায় তাকে আসামি করতে দেয়নি উপরের মহলের নেতারা।

এ বিষয়ে মামলার বাদী চরলরেন্স ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোরশেদ বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার পতনের পর করইলা বাজারের এক ব্যক্তির ছত্রছায়ায় মিলন অনেক অপকর্মে লিপ্ত ছিলেন। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। তার অপকর্মে দলের ভাবমূর্তি অনেক ক্ষুণ্ন হয়েছে। ফলে নিরুপায় হয়ে মামলা করতে বাধ্য হয়েছি।

‎কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফরিদুল আলম বলেন, মামলার প্রধান আসামি মিলনকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ‎