Image description

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, একজন শ্রমিকও একজন পূর্ণ মানুষ, একজন নাগরিক। কিন্তু বাস্তবতা হলো—অনেক জায়গায় শ্রমিকদেরকে সেই মর্যাদা দেওয়া হয় না। কোনো বিপদে পড়লে সমাজের প্রভাবশালী বা শিক্ষিত গোষ্ঠীর জন্য যে ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, শ্রমিকদের ক্ষেত্রে সেই ধরনের সহমর্মিতা বা ব্যবস্থা অনেক সময় দেখা যায় না। 

আজ সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয় শ্রমিক শক্তির ইফতার মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় চালিকা শক্তি হচ্ছে আমাদের শ্রমিক ভাই ও বোনেরা। তারা দেশের জন্য শ্রম দেন—কখনো কারখানায়, কখনো নির্মাণ কাজে, আবার কখনো বিদেশে গিয়ে প্রবাসে শ্রম দিয়ে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেন। আমাদের কৃষি ক্ষেত্রেও অসংখ্য মানুষ কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন। তারা নিজেদের মতো করে শ্রম দেন, অনেক কষ্ট ও দুঃখ সহ্য করে কাজ করেন। যদিও তারা সরাসরি বেতনের উপর নির্ভরশীল নন, তবুও পণ্যের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার কারণে তারা সবসময় দুশ্চিন্তার মধ্যে থাকেন। সেই সমস্যাগুলো আমরা এখনো পুরোপুরি সমাধান করতে পারিনি।

তিনি আরও বলেন, অন্যদিকে যারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন, তারা অনেক সময় প্রাতিষ্ঠানিক নানা বৈষম্যের শিকার হন। অনেক ক্ষেত্রে তারা ন্যায্য মজুরি পান না, ওভারটাইমের সঠিক পারিশ্রমিক পান না। এত পরিশ্রম করার পরও তাদের শ্রমের ন্যায্য মূল্য থেকে তারা বঞ্চিত হন। এটা আমাদের শ্রমিকদের প্রতি একটি বড় ধরনের বৈষম্য। এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে একটি মানসিকতা থেকেই ২৪-এর আন্দোলন সৃষ্টি হয়েছিল।