Image description
 

পরশুরামে ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় তালাকপ্রাপ্ত সেই নারীর পাশে দাঁড়িয়েছেন ফেনী ১ আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক রফিকুল আলম মজনু।

 

‎সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের পাগলীর কুল গ্রামে তালাকপ্রাপ্ত রুনা আক্তার মুন্নীর (৩২) বাড়িতে যান  রফিকুল আলম মজনুসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ ।

 

‎‎রুনা আক্তার ও তার দুই সন্তানকে সান্ত্বনা প্রদান করে ফেনী-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি বলেন, ধানের শীষে ভোট দেয়ার কারণে তাকে তালাক দিয়েছে এ খবর জানার পর প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে রুনা আক্তারকে দেখতে এসেছি। স্বামীর কথামতো দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দেননি।সেজন্য দুই সন্তানের এই মাকে তালাক দেয়া হয়েছে। আধুনিক যুগে এ ধরনের অসভ্যতা মেনে নেয়া যায় না।

‎‎তিনি বলেন,ভোট দেওয়া কোনো অপরাধ নয়, এটি একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। ভোটের কারণে কাউকে সামাজিকভাবে লাঞ্ছিত বা নিগৃহীত করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।ভোটের প্রতীক পছন্দের কারণে কোনো নারী বা পুরুষকে নিপীড়নের শিকার হতে দেওয়া যাবে না। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা আইনি ও সামাজিকভাবে দাঁড়াব।

রুনা আক্তারের পরিবারের ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে তিনি বলেন, আমরা নির্যাতিতা এ নারীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রুনা আক্তারের হাতে বিএনপি'র পক্ষ থেকে নগদ অর্থ তুলে দেন রফিকুল আলম মজনু।

‎‎এ সময় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব,উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আবদুল হালিম মানিক,সদস্য সচিব ইব্রাহীম খলিল মনিসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

‎এর আগে ভুক্তভোগী রুনা আক্তার জানিয়েছিলেন,১২ ফেব্রুয়ারি  জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রুনা আক্তারকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে বলেন তার স্বামী নুর মোহাম্মদ সুমন। পরে রুনা আক্তার ধানের শীষে ভোট দেয়ায় ১৫ ফেব্রুয়ারি আদালত থেকে এফিডেভিটের মাধ্যমে রুনা আক্তারকে তালাকনামা পাঠান স্বামী সুমন।