ঢাকা-১৬ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল আব্দুল বাতেন বলেছেন, দেশের মানুষ জুলাইকে সামনে রেখে নতুন বাংলাদেশে গড়তে হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন। কিন্তু সংসদে শপথ নেয়ার দিনেই বিএনপি জুলাইয়ের আত্মত্যাগের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তারা জনরায়কে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়েছে। তাই যত বাধাই আসুক, জুলাই বিপ্লবকে আমরা কখনোই বৃথা যেতে দেব না। প্রয়োজনে আবারও রাজপথে নামবো। তবুও জুলাইকে হারিয়ে যেতে দিবো না।
বৃহস্পতিবার মিরপুরে একটি হোটেলে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন আন্দোলনে নিহতদের স্বজন ও আহত ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্ণেল বাতেন বলেন, আমাদের প্রত্যাশা ছিল একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। কিন্তু আন্দোলনের চেতনা ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।
তিনি বলেন, “জুলাই সনদ এবং আন্দোলনে আহতদের কোনোভাবেই অবমূল্যায়ন করা যাবে না। তাদের ন্যায্য সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।”
এ সময় নবাগত সংসদ সদস্য বাতেন সংশ্লিষ্টদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আমরা জুলাইকে ধারণ করি। আন্দোলনের অর্জন নষ্ট করার যেকোনো অপচেষ্টা জনগণ মেনে নেবে না।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসের শূরা সদস্য ও জোন পরিচালক অধ্যক্ষ নাসির উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ঢাকা মহানগরের যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা আহসান উল্লাহ কাসেমী ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রিফাত হোসেন মালিক।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন, শহীদ সাব্বির হোসেন রনির বাবা মহিউদ্দিন ও শহীদ শাহরিয়ার হাসান আলভির বাবা আবুল হাসান।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উত্তরের মজলিসে শুরুা সদস্য ও পল্লবী মধ্য থানা আমীর রইসুল ইসলাম, পল্লবী উত্তরের আমীর মাওলানা সাইফুল কাদের, পল্লবী দক্ষিণের আমীর মো. আশরাফুল আলম, রুপনগর থানা আমির আবু হানিফ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের রুপনগর থানার সভাপতি সৈমিক আহমেদসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
বক্তারা শহিদ পরিবারের প্রতি সম্মান জানিয়ে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং আহতদের যাবতীয় বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি