ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী এমপিদের শপথ করাবেন কে— এ নিয়ে জটিলতা কাটছে না। আইন মন্ত্রণালয় চায় কারাবন্দি ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুকে জামিন করিয়ে কিংবা প্যারোলে মুক্তি দিয়ে এমপিদের দ্রুত শপথ করাতে। কিন্তু বিজয়ী দল বিএনপি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের কোনো লোকের কাছে শপথ নেবে না বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে বিকল্প আইনি পথ পেলে তিনদিন অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত সংবিধানের বিধান অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের কাছে এমপিরা শপথ নিতে পারেন।
সূত্র জানায়, বিজয়ী দল বিএনপি এবং বিরোধী দল জামায়াত জোটের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি ঠিক করবে অন্তর্বর্তী সরকার। এদিকে শপথ অনুষ্ঠানের জন্য সব ধরনের আয়োজন সম্পন্ন করেছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, আইন মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়সহ সংশ্লিষ্ট সূত্র আমার দেশকে এ তথ্য জানিয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে বিজয়ী এমপিদের শপথ পড়াবেন কেÑএ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে সরকারি ও সাংবিধানিক পর্যায়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ২০২৪ সালে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করায় এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু গণহত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে থাকায় যে সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমতা ব্যবহারের বিষয় সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী, সাধারণত বিদায়ী সংসদের স্পিকার নতুন এমপিদের শপথ পড়ান। কিন্তু স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার বর্তমানে দায়িত্ব পালনে কার্যত অক্ষম।
আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের মতে, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অক্ষমতায় রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পাঠ করাতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি শপথ পড়াতে পারেন বলে মতামত এসেছে। উল্লেখ্য, সংবিধানে কিছু না থাকলেও সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি শপথ পড়াতে পারেন।
সংবিধানের ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশের তিনদিনের মধ্যে নির্ধারিত ব্যক্তি শপথ পড়াতে না পারেন, তবে পরবর্তী তিনদিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) শপথ পাঠ করাতে পারেন।
এর আগে ১৯৯১ সালে নির্বাচনের পরও শপথ পড়ানো নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছিল। তখন বিজয়ী দলের নেত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া স্বৈরাচার এরশাদ আমলের স্পিকার শামসুল হুদা চৌধুরীর কাছে শপথ নিতে অস্বীকার করেছিলেন। পরে গেজেট প্রকাশের তিনদিন অতিবাহিত হওয়ার পর সিইসি বিচারপতি আব্দুর রউফ নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ করান। এবারও সিইসির কাছেই বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি এবং স্বতন্ত্র নির্বাচিত এমপিরা শপথ নিতে পারেন বলে জানা গেছে। গতরাতেই নির্বাচিত ২৯৭ জন এমপির গেজেট প্রকাশিত হয়েছে বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে।
নির্বাচিত এমপিদের শপথের বিষয় জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ আমার দেশকে বলেন, নতুন সংসদ সদস্যদের কে শপথ পাঠ করাবেন তা সরকারের বিষয়। আমাদের দায়িত্ব গেজেট প্রকাশের। শপথের বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।
জানা গেছে, রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত এলে সংবিধানের দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে গেজেট প্রকাশের তিনদিন পর নতুন এমপিদের শপথ হতে পারে। এক্ষেত্রে শপথ পাঠে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে এমপিদের শপথসহ নতুন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিদায় নিতে চান বলে জানা গেছে। তবে সরকারের একটি উচ্চপর্যায় সূত্রে জানা গেছে, কিছুটা দেরি হলেও রোজা শুরুর আগে ক্ষমতা হস্তান্তরের সবকিছু সম্পন্ন করে সরকার বিদায় নেবে।
এদিকে আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দ্বাদশ সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিনের পদত্যাগ এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি হওয়ায় শপথ অনুষ্ঠান নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা দূর করতে শুক্রবার দিনভর আলোচনা করেন আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। আলোচনায় সংবিধানের বিধান মেনে সিইসির মাধ্যমে শপথ বা সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির আলোকে বিকল্প হিসেবে অন্য কারো মাধ্যমে শপথ পড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সংবিধান ও আইনি এসব বিকল্প নিয়ে গতকাল রাতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় দুদফায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলসহ কয়েকজন সিনিয়র উপদেষ্টা বৈঠক করেন। বৈঠকে আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুর রউফকেও আমন্ত্রণ জানানো হয় বলে জানা গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উপদেষ্টাদের দ্বিতীয় দফার বৈঠক চলছিল।
জানা গেছে, বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা তার তরফ থেকে নতুন সরকারের কাছে দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চান বলে জানান। এজন্য তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় দ্রুত সংসদ সদস্যদের শপথ ও ক্ষমতা হস্তান্তরের উপায় বের করার নির্দেশনা দেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র আমার দেশকে জানিয়েছে, উপদেষ্টাদের মধ্যে কেউ কেউ সংবিধান, কার্যপ্রণালি বিধি ও রেওয়াজ মেনে নতুন এমপিদের শপথের বিষয়ে মতামত দেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি এককভাবে ২০৯ এবং জামায়াত জোট ৬৮টি আসনে বিজয়ী হয়েছে।
আইন মন্ত্রণালয়ের আলোচনায় টুকু
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার এবং দুর্নীতি ও গণহত্যার দায়ে কারাবন্দি শামসুল হক টুকুকে নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ও রাজনৈতিক অঙ্গনে দিনভর আলোচনা হয়। সূত্র জানায়, নতুন এমপিদের শপথ দ্রুত করার পদ্ধতি নিয়ে গতকাল কয়েক দফা বৈঠক হয়। আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও ড্রাফটিং বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তর করার অংশ হিসেবে নবনির্বাচিত এমপিদের শনিবারের (আজ) মধ্যে শপথ অনুষ্ঠানের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে। সরকারের এমন মনোভাবের ভিত্তিতে কর্মকর্তারা সংবিধান ও সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি নিয়ে বিশ্লেষণ করেন।
মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৮(২ক) অনুযায়ী, নির্বাচনের ফল গেজেটে প্রকাশের পরবর্তী তিনদিনের মধ্যে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ নিতে হয়। এ বিধান অনুযায়ী স্পিকার তাদের শপথবাক্য পাঠ করানোর কথা। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতন ও পলায়নের পর জাতীয় সংসদের স্পিকারও আত্মগোপনে চলে যান। আত্মগোপনে থেকেই তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগ করেন। পরবর্তী সময়ে স্পিকারের পদ শূন্য ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়।
ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘সংবিধানে স্পিকারের অবর্তমানে ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ানোর এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। তিনি সংবিধানের ৭৪(৩) অনুচ্ছেদের বিধান উল্লেখ করে বলেন, স্পিকারের পদ শূন্য হলে বা তিনি অন্য কোনো কারণে নিজ দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে স্পিকারের সব দায়িত্ব ডেপুটি স্পিকার পালন করবেন।’ সংবিধানের এ বিধানের আলোকে কারাবন্দি ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুর শপথ পড়ানোর ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।
আলোচনায় টুকুর জামিন
দ্বাদশ সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বর্তমানে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন। শপথ পড়ানোর জন্য তার জামিনের বিষয়টি নিয়েও আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের অভিমত নেওয়া হয়। লেজিসলেটিভ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, ডেপুটি স্পিকার এখন কারাগারে রয়েছেন। একজন কারাবন্দির মাধ্যমে শপথ পড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। ফলে তার জামিনের বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ওই কর্মকর্তা আরো জানান, টুকুর জামিনের বিষয়টি সরকারের হাতে নয়। এটি পুরোপুরি স্বাধীন আদালতের এখতিয়ারাধীন। আদালতই সিদ্ধান্ত দেবে তিনি জামিন পাওয়ার উপযুক্ত কি না। জামিন আবেদনের বিষয়েও জটিলতা রয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ইতঃপূর্বে আদালতে টুকুর জামিনের বিরোধিতা করেছে সরকার। এখন সরকারই আবার তার জামিনের আবেদন করতে পারে না। তাছাড়া ‘নবনির্বাচিত এমপিদের শপথবাক্য পাঠ করানোর যুক্তি পেশ করলে আদালত জামিন আবেদন মঞ্জুর না-ও করতে পারে। তখন জটিলতা আরো বাড়বে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার আসামি টুকু
আইন মন্ত্রণালয়ের বিচার বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বর্তমানে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। গত বছরের ৬ জানুয়ারি পাবনার একটি আদালত চাঁদাবাজির মামলায় তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল। এর আগে ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট ঢাকার খিলক্ষেত এলাকার নিকুঞ্জ আবাসিক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ছাত্রদল নেতা শফিকুল ইসলামকে নৃশংসভাবে হত্যা করাসহ জুলাই গণহত্যায় যুক্ত থাকা এবং ১৯ জনকে গুম করার মামলায় তিনি অন্যতম আসামি। তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেছে তদন্তকারী সংস্থা। গত ৫ ফেব্রুয়ারি টুকুকে মানবতাবিরোধী অপরাধের এসব মামলার শুনানিতে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
আলোচনায় সিইসি
আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত শাখার এক কর্মকর্তা জানান, স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকারের অবর্তমানে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমেও নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়ানোর বিধান রয়েছে। তিনি বলেন, ১৪৮(৩) ধারায় বলা হয়েছে, স্পিকার অথবা ডেপুটি স্পিকার যদি শপথ না পড়ান বা তারা পড়াতে অসমর্থ হন বা না থাকেন, তাহলে তিনদিন পর ও চতুর্থদিন থেকে পরবর্তী দিন প্রধান নির্বাচন কমিশনারই শপথ পাঠ করাবেন।
এ বিষয়ে এর আগে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সরকার চাইছে দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তরের সব কার্যক্রম শেষ করতে। সামনে রোজা থাকায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইসির গেজেট প্রকাশের পরপরই দ্রুত ব্যবস্থা নেবে সরকার। দ্রুত শপথ নিয়ে বিজয়ী দল চাইলে রমজানের আগেই সরকার গঠন করতে পারে।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি শপথ জটিলতার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে নতুন সংসদ সদস্যদের রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি দ্বারা শপথ পড়ানোর ব্যবস্থা করা হবে। নির্বাচনের পর তিনদিনের মধ্যে কেউ শপথ না পড়ালে সেক্ষেত্রে সিইসি শপথ পড়াতে পারবেন।
১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন সরকার চায় বিএনপি
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ত্রয়োদশ সংসদের সরকার গঠন করা হবে। সরকারের তরফ থেকে তাদের এমনটি জানানো হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারা (অন্তর্বর্তী সরকার) বলেই দিয়েছে ১৫ তারিখের মধ্যে সরকার গঠন করতে হবে।’
প্রস্তুত সংসদ সচিবালয়
আগামী জাতীয় সংসদের অধিবেশনের জন্য সংসদ ভবনকে সংস্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও পলায়নের পরপরই ছাত্র-জনতা জাতীয় সংসদ ভবনের প্রবেশ করে। এতে অবকাঠামো ও সরঞ্জামাদির ক্ষতি হয়। এগুলো সংস্কার করে পুরোপুরি ঠিক করা হয়েছে। এখনই অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু করা যাবে বলে জানান তিনি।
পাশাপাশি এমপি হোস্টেল, ন্যাম ভবন এবং স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনও সংস্কার করা হয়েছে। শেখ হাসিনার পলায়নের পর এগুলোও ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছিল।
এ বিষয়ে সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা আমার দেশকে বলেন, আমরা জাতীয় সংসদ ভবনকে সংস্কার করে পুরোপুরি প্রস্তুত করেছি। যেকোনো সময় অধিবেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে। শপথ অনুষ্ঠানের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার যখন চাইবে, তখনই শপথ অনুষ্ঠান করা যাবে। আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।