আগামীকাল বুধবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন শেষে সরকার গঠন ও নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ নিয়ে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভোটের ফল ঘোষণার কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে বর্তমান সংসদ কার্যকর না থাকা, স্পিকার পদত্যাগ এবং ডেপুটি স্পিকার গ্রেফতার থাকায়—শপথ কে পড়াবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সেদিন (পাঁচই ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর পদত্যাগ ও ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু গ্রেফতার হওয়ায় রাষ্ট্রপতি মনোনীত প্রধান বিচারপতি অথবা তিনদিন পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াতে পারেন।
নির্বাচনি ফলাফল চূড়ান্ত হওয়ার পর বিজয়ী দলের প্রধানকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানানো হবে। সে অনুযায়ী আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন প্রধানমন্ত্রী শপথ নিতে পারেন বলে জানা গেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ২২০ জন।
৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে কম ভোটার ঝালকাঠি–১ আসনে—২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন। আর সবচেয়ে বেশি ভোটার গাজীপুর–২ আসনে—৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন।
নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা নিয়োজিত রয়েছেন। পাশাপাশি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন।